Sunday 28 June 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

কার্তিকের শেষ ভাগেই ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন ধুনরিরা


৯ নভেম্বর ২০১৯ ০৬:৩১
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

বগুড়া: ঋতুর হিসেবে শীতকাল না এলেও কার্তিকের শেষ ভাগেই দেশের উত্তরাঞ্চলে এসে গেছে শীতের আমেজ। রাত বাড়লেই কুয়াশার চাদরে ঢেকে যায় চারপাশ। আর তাই এখন থেকেই ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন ধুনরিরা।

পুরাতন লেপ, তোষক, জাজিম ধুনে বানানো। নতুন করে লেপ-তোষক বানানোর কাজ বাড়ছে প্রতিদিনই। কেবল দোকানে নয়, মৌসুমি ধুনরিদের ব্যস্ততাও বেড়েছে।

শুক্রবার (৮ নভেম্বর) বগুড়া শহরের ১ ও ২ নম্বর রেলগেট, সাতমাথা টেম্পল রোড, কলোনি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দোকানগুলোতে এখন সেলাই মেশিন আর তুলা ধুনার শব্দ।

এছাড়া আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার, ছাতিয়ানগ্রাম, চাঁপাপুর, নশরতপুর, শেরপুর উপজেলার মির্জাপুর, ভবানীপুর, বিশালপুর, কাহালু উপজেলার মুরইল, কালাই, ধুনট উপজেলার নিমগাছি, মথুরাপুর, গোসাইবাড়ী, সোনাতলা, নন্দীগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে— শীতের আগেই অনেকটা মৌসুমের ব্যস্ততা শুরু হয়ে গেছে।

বিজ্ঞাপন

আদমদীঘি উপজেলার সদরের লালচান বেডিং স্টোরের মালিক রফিকুল ইসলাম জানান, এখন দিনে লেপ, তোষক, জাজিম মিলিয়ে তিনটির মতো অর্ডার ডেলিভারি দিচ্ছেন তারা।

তিনি বলেন, সাড়ে চার হাত থেকে সাড়ে পাঁচ হাত মাপের একটি লেপ তৈরি করতে কাপড়, তুলা, মজুরিসহ দেড় হাজার থেকে দুই হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। শ্রমিকের মজুরি দেওয়ার পরে তাতে দু’তিনশ টাকা লাভ থাকে। পুরোপুরি শীত এলে দিনে পাঁচ থেকে ছয়টি লেপ-তোষকের অর্ডার আসবে।

সেই অর্থে আমাদের মৌসুম শুরু না হওয়ায় সব দোকানেই শ্রমিক-কারিগর সংকট। মৌসুম এলে শ্রমিক কারিগরও বাড়বে। বছরের বাকি সময় তেমন কাজ থাকে না বলে অন্য পেশায় ব্যস্ত থাকেন ধুনরিরা। শীতের মৌসুমে আবার এই পেশায় ফিরে আসেন— বলেন রফিকুল ইসলাম।