Friday 26 June 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

‘নিজের শিরায় বিষপ্রয়োগ করে চিকিৎসকের আত্মহত্যা’


৩১ জানুয়ারি ২০১৯ ১৪:৩৩
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

।। স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট ।।

চট্টগ্রাম ব্যুরো: স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়ার পর ফেসবুকে একটি অভিমানী স্ট্যাটাস দেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের চিকিৎসক মোস্তফা মোরশেদ আকাশ। এরপর নিজের শরীরে নিজেই ইনজেকশন পুশ করেন বলে জানিয়েছেন, চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাশার। শিরায় বিষপ্রয়োগের মাধ্যমে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

বৃহস্পতিবার (৩১ জানুয়ারি) ভোরে চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও থানা এলাকায় নিজ বাসায় এই ঘটনা ঘটিয়েছেন চিকিৎসক আকাশ।

চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাশার সারাবাংলাকে বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছি- স্ত্রীর সঙ্গে রাতে ঝগড়া করেন আকাশ। ভোর ৪টার দিকে তার স্ত্রী রাগ করে বাসা থেকে বেরিয়ে যান। এরপর আকাশ ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে একপর্যায়ে নিজের শরীরে নিজে বিষপ্রয়োগ করেন।’

বিজ্ঞাপন

আকাশ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অবেদনবিদ (অ্যানেসথেসিয়া) বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন বলে জানান, ওসি।

৩২ বছর বয়সী আকাশ চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার বাংলাবাজার বরকল এলাকার মৃত আবদুস সবুরের ছেলে। নগরীর চান্দগাঁও থানার চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার ২ নম্বর সড়কের ২০ নম্বর বাড়িতে তাদের পরিবারের বসবাস।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়িতে দায়িত্বরত উপসহকারী পরিদর্শক (এএসআই) আলাউদ্দিন তালুকদার সারাবাংলাকে বলেন, ‘হাসপাতালের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে দায়িত্ব পালন করে গত (বুধবার) রাতে তিনি বাসায় যান। ভোর সোয়া ছয়টার দিকে মোস্তফা মোরশেদ আকাশকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন তার ভাই নেওয়াজ মোরশেদ। এসময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেছেন।’

মোস্তফা মোরশেদ আকাশের ফেসবুক পেইজে ভোর পাঁচটার দিকে দেওয়া দুটি স্ট্যাটাস আছে। সেখানে তিনি জানান, ২০০৯ সালে তানজিলা হক চৌধুরী মিতুর সঙ্গে পরিচয়ের পর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২০১৬ সালে তারা বিয়ে করেন।

স্ট্যাটাসের একপর্যায়ে তিনি স্ত্রীকে ‘চিটার’ হিসেবে উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগও করেন।

শেষ স্ট্যাটাসে মোস্তফা মোরশেদ আকাশ স্ত্রীর সঙ্গে একটি ছবি দেন এবং লেখেন- ভালো থেকো আমার ভালোবাসা তোমার প্রেমিকদের নিয়ে।

সারাবাংলা/আরডি/এমআই