।। আজমল হক হেলাল, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট।।
ঢাকা: বামদলীয় গণতান্ত্রিক জোট আন্দোলনের পাশাপাশি নির্বাচনী ভোট যুদ্ধের লড়াইয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে। দায়িত্বশীল সূত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, আন্দোলনের অংশ হিসেবে বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতৃবৃন্দ তাদের চারদফা দাবী ও দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আগামী ২৯ অক্টোবর রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি দেবেন।
স্মারকলিপিতে, তফসীল ঘোষণার আগে সংসদ ভেঙে দেওয়া, সরকারের পদত্যাগ, নির্বাচন কমিশনকে ঢেলে সাজানো, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের কথা থাকছে। তাদের এই দাবীগুলো না মানলে তারা নির্বাচনে অংশ নেবেন না। দাবী আদায়ের আন্দোলনে মাঠে থাকবে। এই দাবীগুলো এরই মধ্যে সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে পাঠানো হয়েছে। ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত বাম জোটের নেতারা এসব পর্যালোচনায় রাখবেন।
পরে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে (২৯ অক্টোবর) সাক্ষাতের পরেই তারা পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন। এসব বিষয় নিয়ে বামজোট নেতা সাইফুল হক বলেন, ‘সরকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলেন, গণতন্ত্রের কথা বলেন, তাই গণতান্ত্রিক দাবীগুলোই সরকারের কাছে তুলে ধরেছি আমরা। সরকারের শুভ বুদ্ধির উদয় হলে দাবীর প্রতি সম্মান জানাবে ও মেনে নেবে।
অন্যথায় বাম গণতান্ত্রিক জোট আন্দোলন করে দাবী আদায় করবে বা মাঠে থাকবে। বাম জোটের অন্য একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, একদিকে আন্দোলনে মাঠে থাকবে বাম জোট অন্যদিকে নির্বাচনী লড়াইয়ে মাঠে থাকার প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে। বামদলীয় জোটের প্রার্থীদের যাচাবাছাই করা হচ্ছে। এর মধ্যে ৭০টি আসনই আছে সিপিবি’র। অন্যান্য শরীকদের আছে ৪০ জন প্রার্থী।
দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, বামজোটের মোট প্রার্থী থাকবে ১০৪ জন। তবে, সূত্রমতে তাদের প্রার্থী ১০৪ জন থেকে কমতে পারে বলে আভাস আছে। দাবী না মানলে তারা নির্বাচনে যাবে না। এমনকি জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাথে তারা যুগপৎ আন্দোলনও সামিল হবে না। এসব বিষয় নিয়ে বামজোট নেত্রী মোশরেফা মিশু সারাবাংলাকে জানান, প্রার্থী এখনো চূড়ান্ত হয়নি। সরকার আমাদের দাবী মেনে নিলে শতাধিক আসনে প্রার্থী দেওয়া হবে।
সারাবাংলা/এএইচএইচ/জেএএম