Monday 24 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

কালচারাল ট্যুরিজম উন্নয়নে ২ মন্ত্রণালয়ের সমঝোতা স্মারক সইয়ের সিদ্ধান্ত

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
২৪ আগস্ট ২০২৬ ১৬:৫৯

ঢাকা: দেশের ঐতিহাসিক স্থাপনা ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনকে কেন্দ্র করে কালচারাল ট্যুরিজম বা সাংস্কৃতিক পর্যটনের বিকাশে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সইয়ের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ঐতিহাসিক স্থাপনা ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের সঙ্গে পর্যটন উন্নয়ন বিষয়ে আয়োজিত আন্তমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। সভায় সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এবং সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানসহ দুই মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী বলেন, পর্যটন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শিল্প, যার সঙ্গে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওতপ্রোতভাবে জড়িত। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের পর্যটন খাতকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চান। বর্তমানে দেশের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান ২ থেকে ৩ শতাংশ। এ অবদান ৭ থেকে ৮ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর অভিন্ন নীতিমালা বা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) প্রণয়নের কাজ শুরু হবে। পাশাপাশি দেশের কালচারাল ট্যুরিজমকে এগিয়ে নিতে ‘জয়েন্ট টাস্কফোর্স ফর কালচারাল ট্যুরিজম’ গঠন করা হবে।

সভায় সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম দেশের বিমানবন্দরগুলোতে বিদেশ থেকে আগত যাত্রীদের কাছে ‘নজরুল বর্ষ’-এর প্রচারণা চালানোর প্রস্তাব দেন। পর্যটন মন্ত্রী এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রচারণামূলক উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

সভাপতির বক্তব্যে সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের দেশীয় ঐতিহ্য হাজার বছরের পুরোনো। এই ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি তা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে সরকার কাজ করছে। ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোকে পর্যটন থিমকে সামনে রেখে উন্নয়ন করা হবে।

তিনি জানান, দেশে ৫৫৪টি প্রত্নতাত্ত্বিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান পর্যায়ক্রমে টাস্কফোর্সের সদস্যরা পরিদর্শন করবেন। পরিদর্শনের পর প্রয়োজনীয় উন্নয়নমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সভায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার, এনডিসিসহ দুই মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সারাবাংলা/এমএমএইচ/এনজ্র
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর