ঢাকা: জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত যোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের চিকিৎসাসেবা, উপযুক্ত পুনর্বাসন এবং অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করতে সরকার পূর্ণ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদফতরকে পূর্ণাঙ্গভাবে সক্রিয় করার মাধ্যমে প্রতিটি শহিদ পরিবার এবং আহত যোদ্ধার যথাযথ পরিচর্যা ও সেবা নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
বুধবার (১৯ আগস্ট) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় কমিটি’র সভায় সভাপতিত্বকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, এই ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের সার্বিক কৃতিত্ব কোনো একক রাজনৈতিক দলের নয়, বরং এটি পুরো বাঙালি জাতির।
একই সভায় বিশেষ বক্তব্য প্রদানকালে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন আহতদের দ্রুত সুচিকিৎসা ও টেকসই পুনর্বাসনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান, রাজনৈতিক দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে যাদের সাহায্য ও চিকিৎসাসেবা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, ঠিক তাদের কাছেই সরকারি সুবিধা পৌঁছে দিতে কাজ করা হচ্ছে। অন্যদিকে, আহত ও শহীদদের তালিকার শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার কৌশল বর্ণনা করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফুল ইসলাম।
তিনি বলেন, জেলা পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কমিটি এবং ডাক্তারি সনদের মাধ্যমে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর প্রযোজ্য ক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় নিবিড় যাচাই-বাছাই শেষে জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদফতরের সুপারিশক্রমে গেজেট প্রকাশ করা হচ্ছে। কোনো প্রকৃত জুলাই যোদ্ধা বা শহিদ পরিবার যেন সরকারি সুবিধা থেকে বাদ না পড়েন এবং অযোগ্য কেউ যেন স্থান না পান, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখা হচ্ছে।