Saturday 18 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

আওয়ামী লীগ সরকার তাঁত ও চা শিল্প ধ্বংস করেছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
১৮ জুলাই ২০২৬ ১৫:৩৯ | আপডেট: ১৮ জুলাই ২০২৬ ১৫:৪৫

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। 

সিরাজগঞ্জ: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, একটি দল স্বাধীনতার একমাত্র মালিক হয়ে গিয়েছিল। এক সময় বাংলাদেশের সম্পদ দিয়ে পাকিস্তানের রাজধানী গড়ে উঠেছিল। তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলে দেশের তাঁত, চা ও পাটশিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে সিরাজগঞ্জ পৌর শহরের মিরপুর এলাকায় বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের উদ্যোগে নবনির্মিত তাঁত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও বেসিক সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী টুকু বলেন, পাকিস্তান আমলে জাতীয় জুট মিল সচল ছিল এবং সেখানে কর্মরত শ্রমিকরা ভালোভাবে জীবনযাপন করতেন। তার দাবি, পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের আমলে প্রতিষ্ঠানটি ধ্বংস হয়ে বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে হাজারো শ্রমিক কর্মসংস্থান হারায় এবং দেশের অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, দেশের ঐতিহ্যবাহী তাঁত শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে। দক্ষ জনবল তৈরির পাশাপাশি আধুনিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাঁতিদের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম বলেন, সিরাজগঞ্জের গামছা ও লুঙ্গি এরই মধ্যে ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্যের স্বীকৃতি অর্জন করেছে। তিনি জানান, জেলার তাঁতিদের স্বল্পসুদে ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে তারা সহজে উৎপাদন কার্যক্রম সম্প্রসারণ করতে পারেন এবং তাঁত শিল্প আরও সমৃদ্ধ হয়।

বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের আয়োজনে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরিফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম সান্টু এবং সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু।

অনুষ্ঠানে জেলার তাঁত শিল্পের উন্নয়ন, কারিগরদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বক্তারা বলেন, নতুন এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালুর মাধ্যমে স্থানীয় তাঁতিরা আধুনিক প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ পাবেন। এতে উৎপাদনের মান ও পরিমাণ বাড়বে এবং দেশীয় তাঁতপণ্যের বাজার সম্প্রসারণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর