Sunday 05 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

মতিউরের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ ২১ জুলাই

স্টাফ করেসপন্ডেট
৫ জুলাই ২০২৬ ১৫:৪৮ | আপডেট: ৫ জুলাই ২০২৬ ১৭:০৬

এনবিআর সাবেক সদস্য ও ‘ছাগলকাণ্ডে’ আলোচিত মতিউর রহমান – সংগৃহীত ফাইল ছবি

ঢাকা: জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক সদস্য ও ‘ছাগলকাণ্ডে’ আলোচিত মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আদেশ দেওয়ার জন্য আগামী ২১ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রোববার (৫ জুলাই) ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বিএম তারিকুল কবীর-এর আদালতে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এদিন কারাগার থেকে মতিউর রহমানকে আদালতে হাজির করা হয়।

শুনানিতে আসামি পক্ষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ার জাহিদ ভূইয়া ও অ্যাডভোকেট মো. বোরহান উদ্দিন অভিযোগ থেকে অব্যাহতির আবেদন করেন।

অন্যদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রসিকিউটর মীর আহমেদ আলী সালাম অভিযোগ গঠনের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন। উভয় পক্ষের বক্তব্য শেষে আদালত আদেশের জন্য ২১ জুলাই তারিখ নির্ধারণ করেন।

বিজ্ঞাপন

দুদক-এর আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দুদকের দাখিল করা চার্জশিটে বলা হয়েছে, মতিউর রহমান তার সম্পদ বিবরণীতে ১ কোটি ২৪ লাখ ২৫ হাজার ২১১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। এছাড়া সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে তিনি ৫ কোটি ৪০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন।

২০২৪ সালে কোরবানির জন্য প্রায় ১৫ লাখ টাকা মূল্যের একটি ছাগল কেনাকে কেন্দ্র করে মুশফিকুর রহমান ইফাত নামে এক যুবক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনায় আসেন। সে সময় বিভিন্ন মাধ্যমে দাবি করা হয়, তিনি মতিউর রহমানের ছেলে। এরপর মতিউর রহমান ও তার পরিবারের সম্পদ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

এ ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ৪ জুন মতিউর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। অনুসন্ধানে তাদের নামে ৬৫ বিঘা জমি, আটটি ফ্ল্যাট, দুটি রিসোর্ট ও পিকনিক স্পট এবং তিনটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের তথ্য পাওয়া যায়। একই সঙ্গে মতিউর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা ব্যাংক হিসাব, মোবাইল আর্থিক সেবার হিসাব এবং শেয়ারবাজারের বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাবও জব্দ করা হয়।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর