Friday 21 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

পিকে হালদারের সহযোগী অভিজিৎ অধিকারীর ৭ বছরের কারাদণ্ড

স্টাফ করেসপন্ডেট
২২ জুন ২০২৬ ১৪:৫২ | আপডেট: ২২ জুন ২০২৬ ১৮:০৩

– ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা: দুর্নীতির মামলায় প্রশান্ত কুমার (পিকে) হালদারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও সুখাদা প্রোপার্টিজ লিমিটেড-এর সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক অভিজিৎ অধিকারী তীর্থকে পৃথক দুই ধারায় মোট ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২২ জুন) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এর বিচারক মুহা. হাসানুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে সম্পদের তথ্য গোপনের দায়ে অভিজিৎ অধিকারীকে দুই বছরের কারাদণ্ড এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাকে এক কোটি ৩৫ লাখ ৫ হাজার ২৮৪ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৩০ দিন কারাভোগ করতে হবে বলেও আদালত নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব দে জানান, দুই ধারার সাজা একসঙ্গে কার্যকর হওয়ায় আইন অনুযায়ী অভিজিৎ অধিকারীকে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাভোগ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, মামলার শুরু থেকেই আসামি পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানার পাশাপাশি গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করেছেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৬ মার্চ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর সহকারী পরিচালক মানসী বিশ্বাস অভিজিৎ অধিকারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় তার বিরুদ্ধে ১ কোটি ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জন ও নির্ধারিত সময়ে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করার অভিযোগ আনা হয়।

পরবর্তীতে তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ৫ মে দুদকের উপপরিচালক নাজমুল হুসাইন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। তদন্তে অভিজিৎ অধিকারীর বিরুদ্ধে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৫ হাজার ২৮৪ টাকার অবৈধ সম্পদের তথ্য উঠে আসে।

২০২৫ সালের ১৩ মার্চ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত পাঁচজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। তবে আসামি পলাতক থাকায় তিনি আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ নেননি।

সারাবাংলা/টিএম/এসআর
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর