ঢাকা: সিঙ্গাপুর ও যুক্তরাজ্য থেকে ৩ কার্গো এলএনজি আমদানিসহ চারটি প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে ‘সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’। এতে মোট ব্যয় হবে ২ হাজার ৮১৭ কোটি ৩০ লাখ টাকা। এছাড়া ইতোপূর্বে অনুমোদিত দুটি ক্রয় প্রস্তাবের চুক্তিমূল্য সংশোধনের (ভেরিয়েশন) প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সংশোধিত দুই প্রস্তাবে ব্যয় বাড়ছে ২৩ কোটি ১০ লাখ টাকা।
বুধবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত ক্রয় কমিটির বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
অর্থ মন্ত্রণালয় জানায়, বৈঠকে আন্তর্জাতিক কোটেশনের মাধ্যমে আগামী জুলাইয়ের জন্য সিঙ্গাপুরের ‘ভিটল এশিয়া পিটিই লিমিটেড’ থেকে ১ কার্গো ও ‘আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর পিটিই লিমিটেড’ থেকে ১ কার্গো এবং যুক্তরাজ্যের ‘টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড’ থেকে ১ কার্গো অর্থাৎ মোট তিন কার্গো এলএনজি আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এটি চলতি পঞ্জিকা বছরের ২৯, ৩০ ও ৩১ তম এলএনজি কার্গো আমদানি। এতে মোট ব্যয় হবে হবে ২ হাজার ১১২ কোটি ৬০ লাখ ৩৩ হাজার টাকা।
বৈঠকে ইউরিয়া সার আমদানির দুটি পৃথক প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাত-এর ‘ডেলটা স্টার ট্রেুডিং এফজেড-এলএলসি’ (স্থানীয় এজেন্ট: ইবেদিতা ট্রেডিং, ঢাকা) থেকে ইউরিয়া সার আমদানিতে বাংলাদেশি মুদ্রায় ব্যয় হবে ৩৪৮ কোটি ৫৫ লাখ ৫৯ হাজার টাকা। প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম ধরা হয়েছে ৭০১.০১ ডলার।
অপর প্রস্তাবে সৌদি আরব-এর ‘সাবিক এগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি’ থেকে ১৯তম লটের আওতায় ২৫ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক গ্রানুলার ইউরিয়া সার আমদানি করা হবে। প্রতি মেট্রিক টন সার ৬০০.৮৩ ডলার দরে বাংলাদেশি মুদ্রায় এতে ব্যয় হবে ১৮৫ কোটি ১৩ লাখ ৭ হাজার টাকা।
এছাড়া ১৫ হাজার মেট্রিক টন রক সালফার / ব্রাইট ইয়েলো সালফার / ব্রাইট ইয়েলো সালফার ক্রুড আমদানির একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এটি সরবরাহ করবে ‘মেসার্স ফেবসকো কনস্ট্রাকশন লিমিমিটেড’।
প্রতি মেট্রিক টন ৮০০ ডলার দরে বাংলাদেশি মুদ্রায় এতে ব্যয় হবে ১৭১ কোটি ১ লাখ টাকা।
দুই ভেরিয়েশন প্রস্তাব
ক্রয় কমিটির বৈঠকে দুটি ভেরিয়েশন প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অন-লাইন ব্যাংকিং সিস্টেমে ৫ বছর মেয়াদে বিআরটিএ’র এমভি ট্যাক্স ও ফিস আদায়ে অতিরিক্ত সেবা খরচ বাবদ ২১ কোটি ৪২ লাখ ৭৮ হাজার টাকা ব্যয় হবে।
অপরটি হচ্ছে- এলজিইডি কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প (২য় পর্যায়)-২য় সংশোধিত’ প্রকল্পের পরমর্শক সেবা ব্যয় ১ কোটি ৬৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা বাড়ানো হয়েছে।