ঢাকা: বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বন্ধ কারখানা চালুর নামে দেশের দেশের মূল্যবান ও সীমিত সম্পদ অপচয় করা হবে না। বন্ধ মিল চালু করা মানে এই নয় যে, ৩০, ৫০ বা ৭০ বছর পুরোনো কারখানায় আবার আগের মতো টাকা ঢেলে সেগুলো চালু করা হবে। বর্তমান সরকার এতটা অবাস্তব নয়।
তিনি বলেন, শুধু বেশি দামে পণ্য বিক্রি করে বা ভর্তুকি দিয়ে কোনো শিল্প টিকিয়ে রাখা রাষ্ট্রের লক্ষ্য হতে পারে না। তাই প্রতিটি শিল্পের জন্য আলাদা বাস্তবসম্মত সমাধান নেওয়া হবে। বন্ধ কারখানা চালুর নামে দেশের সীমিত সম্পদ অপচয় করা হবে না।
শনিবার (১৬ মে) রাজধানীর হোটেল লা মেরিডিয়ান ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘গ্র্যান্ড লঞ্চিং ইভেন্ট অব টেক্সটাইল ইনোভেশন এক্সচেঞ্জ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে নীতিনির্ধারক, শিল্পখাতের নেতৃবৃন্দ, একাডেমিয়া, উদ্ভাবক এবং উন্নয়ন সহযোগীরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও পোশাক শিল্পে উদ্ভাবনকে একটি মৌলিক সক্ষমতায় রূপান্তর করা।
‘কিছু কারখানা টেক্সটাইল মন্ত্রণালয়ের অধীনে, আর কিছু শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে রয়েছে’- জানিয়ে শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী বলেন, কিছু জায়গায় পুরোনো মিলের স্থানে নতুন শিল্পপার্ক গড়ে তোলা হবে। আবার কিছু ক্ষেত্রে জায়গা ছোট হলে, সেটি লিজ বা পিপিপি মডেলে দিয়ে নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ করা হবে, অর্থাৎ বড় জায়গা হলে শিল্পপার্ক, ছোট জায়গা হলে নতুন বিনিয়োগ বা পিপিপি মডেলে কাজ করা হবে।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, আশা করি, বন্ধ মিল ও কারখানা নিয়ে সরকারের অবস্থান এখন পরিষ্কার হয়েছে। যেখানে নতুন বিনিয়োগ নেওয়া হবে, সেখানে বেসরকারি খাতের অভিজ্ঞ উদ্যোক্তাদের সঙ্গে পরামর্শ করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কোনো ধরনের ধোঁয়াশা থাকবে না।