Thursday 14 May 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

একক ঋণগ্রহীতার ঋণসীমা বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১৪ মে ২০২৬ ১৫:১১ | আপডেট: ১৪ মে ২০২৬ ১৬:০৬

ঢাকা: আন্তর্জাতিক বাণিজ্য অর্থায়ন সহজ করতে একক ঋণগ্রহীতা ও বৃহৎ ঋণ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের শিথিলতা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত কোনো একক ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠীর কাছে ব্যাংকের মোট অর্থায়িত ও অ-অর্থায়িত ঋণ একত্রে ব্যাংকের মূলধনের ২৫ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারবে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে)ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রণ ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) এ–সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে।

এর আগে ২০২২ সালের সার্কুলার অনুযায়ী, কোনো একক ঋণগ্রহীতার ক্ষেত্রে অর্থায়িত ঋণের সীমা ছিল ব্যাংকের মূলধনের সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ। পাশাপাশি অ-অর্থায়িত ঋণের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ রূপান্তর গুণক (কনভার্সন ফ্যাক্টর) বিবেচনা করা হতো।

বিজ্ঞাপন

নতুন নির্দেশনায় বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও শিল্প খাতের অর্থায়ন সহজ করতে নন-ফান্ডেড বা অ-অর্থায়িত এক্সপোজারের ক্ষেত্রে রূপান্তর গুণক কমিয়ে ২৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ, কোনো ব্যাংকের ঝুঁকি হিসাবের সময় অ-অর্থায়িত দায়ের মাত্র এক-চতুর্থাংশ বিবেচনায় নেওয়া হবে।

তবে এই সুবিধা ধাপে ধাপে তুলে নেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ রূপান্তর গুণক সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ, ২০২৮ সালের শেষে ৪০ শতাংশ এবং ২০২৯ সালের শেষে ৫০ শতাংশে উন্নীত করতে হবে। ২০৩০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আগের বিধান পুরোপুরি কার্যকর হবে।

এ ছাড়া বৃহৎ ঋণ পোর্টফোলিওর সীমাও পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। কোনো ব্যাংকের শ্রেণিবদ্ধ ঋণের হার যত কম হবে, তারা তত বেশি বড় ঋণ বিতরণ করতে পারবে। নতুন কাঠামো অনুযায়ী, শ্রেণিবদ্ধ ঋণের হার ১০ শতাংশ বা তার কম হলে বৃহৎ ঋণ পোর্টফোলিও মোট ঋণ ও অগ্রিমের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারবে। তবে কোনো অবস্থাতেই বৃহৎ ঋণের মোট পরিমাণ ব্যাংকের মূলধনের ৬০০ শতাংশ অতিক্রম করতে পারবে না।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর