Wednesday 13 May 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

সরকারি আইনজীবী পাচ্ছেন হাছান মাহমুদ-নওফেলসহ ১৭ পলাতক আসামি

স্টাফ করেসপন্ডেট
১৩ মে ২০২৬ ১৬:২২

সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল – ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় চট্টগ্রামে ওয়াসিমসহ ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলসহ ১৭ পলাতক আসামির পক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। একইসঙ্গে মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য আগামী ৪ জুন দিন ধার্য করা হয়েছে।

বুধবার (১৩ মে) ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন।

আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। তিনি পলাতক আসামিদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগের আবেদন জানান এবং শুনানির জন্য সময় প্রার্থনা করেন। পরে ট্রাইব্যুনাল আবেদন মঞ্জুর করে রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী নিয়োগের নির্দেশ দেন।

বিজ্ঞাপন

মামলায় মোট আসামি ২২ জন। এর মধ্যে ৫জন গ্রেফতার রয়েছেন। বুধবার চারজনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তারা হলেন চট্টগ্রাম-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী, যুবলীগ নেতা আজিজুর রহমান, তৌহিদুল ইসলাম ও মো. ফিরোজ।

পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাসির উদ্দীন, রেজাউল করিম, মহিউদ্দিন বাচ্চু, হেলাল আকবর, নুরুল আজিম রনি, শৈবাল দাশ সুমন, আবু ছালেক, এসবারুল হক, এইচ এম মিঠু, নূর মোস্তফা টিনু, দেবাশীষ পাল দেবু, জমির উদ্দিন, ইমরান হাসান মাহমুদ, জাকারিয়া দস্তগীর, মহিউদ্দিন ফরহাদ ও সুমন দে।

এর আগে গত ৩ মে পলাতক ১৭ আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে দুটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আদেশ দেওয়া হয়। পরে ৭ এপ্রিল তিনটি অভিযোগে ২২ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল-২। এর আগে ৫ এপ্রিল প্রসিকিউশন আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করে।

মামলার প্রথম অভিযোগে ওয়াসিম আকরাম, ফয়সাল আহমেদ শান্ত ও মো. ফারুককে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। দ্বিতীয় অভিযোগে তানভীর সিদ্দিকী, সায়মন ওরফে মাহিম ও হৃদয় চন্দ্রকে হত্যার দায় উল্লেখ করা হয়। এছাড়া তৃতীয় অভিযোগে জাহিদ হাসান, আবদুল কাদের, আছিয়া খাতুন, সানজিদা সুলতানা ও আবদুল্লাহসহ শতাধিক ছাত্র-জনতাকে গুরুতর আহত করার অভিযোগ আনা হয়েছে।