Saturday 09 May 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

বড়পুকুরিয়া দুর্নীতি মামলা: মোয়াজ্জেম হোসেনকে অব্যাহতি

স্টাফ করেসপন্ডেট
২৯ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:৪২ | আপডেট: ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:৪৬

হোসাফ গ্রুপের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন – ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা: দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি সংশ্লিষ্ট দুর্নীতি মামলায় হোসাফ গ্রুপের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন-কে অব্যাহতি দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিচারপতি মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ সংক্রান্ত জারি করা রুল যথাযথ (অ্যাবসলিউট) ঘোষণা করে এ রায় দেন।

মোয়াজ্জেম হোসেনের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ বি এম আলতাফ হোসেন। তার সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট খন্দকার মারুফ হোসেন। অন্যদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শাহীন আহমেদ।

রায়ের পর আইনজীবী আলতাফ হোসেন জানান, এ মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন (সদ্য প্রয়াত) খালেদা জিয়া, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং সাবেক এয়ারভাইস মার্শাল আলতাফ হোসেন চৌধুরী-কে আগেই অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। তবে মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হলে তা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত সেই রুল চূড়ান্তভাবে মঞ্জুর করেছেন।

বিজ্ঞাপন

মামলার তথ্য অনুযায়ী, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে কয়লা উত্তোলন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত কাজে চীনা প্রতিষ্ঠান কনসোর্টিয়াম অব চায়না ন্যাশনাল মেশিনারিজ ইম্পোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশনের (সিএমসি) এর সঙ্গে চুক্তিতে ঠিকাদার নিয়োগে অনিয়ম এবং রাষ্ট্রের প্রায় ১৫৮ কোটি ৭১ লাখ টাকার ক্ষতির অভিযোগে এ মামলা করা হয়।

২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর শাহবাগ থানায় দুদকের সহকারী পরিচালক মো. নাজমুল আলম এ মামলা দায়ের করেন।

পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ২৭ নভেম্বর বিচারিক আদালত সাবেক ভারপ্রাপ্ত জ্বালানি সচিব নজরুল ইসলামসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে। তবে একইদিনে মামলার প্রধান আসামি খালেদা জিয়াসহ কয়েকজনকে অব্যাহতি দেওয়া হয় এবং মৃত আসামিদের নামও বাদ পড়ে।

এরপর অভিযোগ গঠনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত বছর হাইকোর্টে আবেদন করেন মোয়াজ্জেম হোসেন। প্রাথমিক শুনানির পর আদালত তার বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুল জারি করেছিলেন।

সর্বশেষ শুনানি শেষে হাইকোর্ট সেই রুল অ্যাবসলিউট ঘোষণা করে তাকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেন।