Sunday 08 November 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English.

আন্তর্জাতিক নারী দিবস রোববার / ‎নারীর অধিকার সুরক্ষায় নিবন্ধন আইন সংস্কার জরুরি: প্রজ্ঞা

‎সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
৭ মার্চ ২০২৬ ১৯:৩৪ | আপডেট: ৭ মার্চ ২০২৬ ২১:৩০

-ছবি : প্রতীকী ও সংগৃহীত

ঢাকা: ‎“আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রোববার (৮ মার্চ) পালিত হবে আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬। আইনগত পরিচয় নিশ্চিত না হলে নারীর শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক সুরক্ষা ও আইনি ন্যায্যতা অধরাই থেকে যায়। নারীর অধিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে শক্তিশালী জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন একটি অন্যতম কার্যকরী হাতিয়ার।
‎
‎শনিবার (৭ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো বেসরকারি গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি সংস্থা প্রজ্ঞা’র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে।
‎
সংবাদ ‎বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একটি কন্যাশিশুর জন্ম নিবন্ধনই তার ভবিষ্যৎ সুরক্ষার প্রথম ধাপ। এটি না থাকলে বয়স প্রমাণ করা যায় না এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে বাধা সৃষ্টি করে। বাল্যবিবাহ কন্যাশিশুদের মধ্যে অপ্রাপ্তবয়স্ক মাতৃত্বের ঝুঁকি বাড়ায়, শিক্ষা বঞ্চিত করে এবং সহিংসতার শিকার হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে। নিবন্ধনহীনতা নারী পাচার ও ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও বাড়ায়। একইভাবে, মৃত্যু নিবন্ধন না থাকলে নারীর মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি সুরক্ষিত থাকে না। ফলে আত্মীয়দের মধ্যে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের ঝুঁকি বাড়ে।

বিজ্ঞাপন

আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে সবার জন্য নিবন্ধন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ হলেও এখনও প্রায় অর্ধেক মানুষ নিবন্ধনের বাইরে রয়ে গেছে। বিদ্যমান আইনের সীমাবদ্ধতা শতভাগ নিবন্ধন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন সংশোধন করে পরিবার-নির্ভর ব্যবস্থার পরিবর্তে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে আইনগতভাবে নিবন্ধনের দায়িত্ব প্রদান করা হলে হাসপাতালে জন্ম নেওয়া প্রায় ৬৭% শিশু জন্মের মুহূর্তেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়ে যাবে।
‎
‎আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে এক প্রতিক্রিয়ায় গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের বলেন, “নারীর অধিকারের সূচনা হয় তার আইনগত পরিচয় থেকে। স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রভিত্তিক নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শতভাগ নিবন্ধন অর্জনের পাশাশাশি নারীর অধিকার সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হবে।”

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর