Friday 21 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর গ্রেফতার ও বিচার দাবি ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকদের

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২৯ জুলাই ২০২৬ ১৫:০২ | আপডেট: ২৯ জুলাই ২০২৬ ১৬:৪৭

– ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা: শেয়ার কারসাজি ও ইসলামী ব্যাংক থেকে অর্থ লুটপাটে জড়িত থাকার অভিযোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের গ্রেফতার এবং দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছে ‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম’।

বুধবার (২৯ জুলাই) সকালে রাজধানীতে ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে ফোরামের নেতারা অভিযোগ করেন, এস আলম গ্রুপ ইসলামী ব্যাংক থেকে প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা লুট করেছে। তাদের দাবি, এ লুটপাটে সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করেছেন। এ ছাড়া ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ও ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় ব্যাংকের শেয়ার কারসাজির সঙ্গেও তিনি জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ করেন বক্তারা।

বিজ্ঞাপন

বক্তারা বলেন, এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। তাদের ভাষ্য, তার বিরুদ্ধে যথাযথ তদন্ত পরিচালিত হলে ইসলামী ব্যাংকের অর্থ লুটপাট ও শেয়ার কারসাজির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।

মানববন্ধনে ইসলামী ব্যাংকের মালিকানা কাঠামো পুনর্বহালের দাবিও জানানো হয়।

বক্তারা বলেন, বিভিন্ন অনিয়ম ও কারসাজির মাধ্যমে ব্যাংকের প্রকৃত মালিকদের কাছ থেকে শেয়ার হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাই লুটপাটের মাধ্যমে দখল হওয়া শেয়ার প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

বক্তারা আরও বলেন, একসময় ইসলামী ব্যাংক দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সেরা ও আস্থাভাজন ব্যাংক হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু ধারাবাহিক অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ লুটপাটের কারণে ব্যাংকটির সুনাম ও আর্থিক ভিত্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ব্যাংকটিকে আবারও শক্তিশালী ও গ্রাহকবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে সুশাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি দায়ীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে বলে তারা মত দেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, ব্যাংকিং খাতে জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে অর্থ লুটপাটের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের বিকল্প নেই। একই সঙ্গে ইসলামী ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সুশাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর