ঢাকা: দুর্নীতি দমন এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বর্তমান সরকারের শূন্য সহনশীলতা বা জিরো টলারেন্স নীতি ও অগ্রাধিকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘বিগত স্বৈরাচারী শাসনের সময় এদেশ থেকে প্রতিবছর প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার করা হয়েছে। এই দুর্নীতির টুঁটি চেপে হলেও তা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর এবং প্রয়োজনে এই ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা তার বক্তব্যে রাস্তাঘাটসহ দেশের যেসব নাগরিক সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন, তার অন্যতম প্রধান কারণ হলো বিগত সময়ের এই অনিয়ম ও চরম দুর্নীতি। এই দুর্নীতি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত করেছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিয়ে সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার দেশের সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সম্পূর্ণভাবে একটি পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে চায়। এই বাহিনীকে এমনভাবে প্রস্তুত করা হবে যাতে তারা সবসময় সাধারণ জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে পারে।’
তারেক রহমান বলেন, ‘সাধারণ নাগরিক, কৃষক, শ্রমিক এবং শিক্ষকসহ সমাজের সব স্তরের মানুষের অন্যতম প্রধান চাওয়া হলো একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ। দেশের প্রত্যেক মানুষ চায় দিনশেষে নিজের কাজ শেষ করে নিরাপদে নিজের বাড়ি ফিরতে এবং পরিবারের সঙ্গে স্বস্তিতে সময় কাটাতে।’
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের সাধারণ মানুষের এই জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।’
বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্রমান্বয় উন্নয়ন এবং একটি দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে তার সরকারের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।