ঢাকা: ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ভ্যাটের সুনির্দিষ্ট করের আওতায় মুদি দোকানসহ ১৬ ব্যবসায়ী খাত যুক্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে জাতীয় বাজেট সংসদের অধিবেশনে লিখিত প্রশ্নোত্তরে তিনি এসব তথ্য জানান। সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ সভাপতিত্ব করছেন এবং প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়েছে।
মহিলা আসন ৩৫ এর সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানা প্রশ্ন রেখেছিলেন, ‘বিগত অর্থবছরে মূল্য সংযোজন কর ও ভ্যাট বাবদ প্রাপ্ত রাজস্ব আয়ের পরিমাণ কত এবং নতুন কোনো প্রতিষ্ঠান বা উৎসকে ভ্যাটের আওতায় আনবার পরিকল্পনা আছে কি না এবং থাকলে সম্ভাব্য প্রতিষ্ঠান বা উৎসের তালিকা কী?’
জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট বাবদ রাজস্ব আয়ের পরিমাণ ১ লাখ ৪১ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা।’
তিনি আরও বলেন, ‘নতুন প্রতিষ্ঠান বা উৎসকে ভ্যাটের আওতায় আনার পরিকল্পনা আছে। ব্যবসায়িক খাতকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ভ্যাটের সুনির্দিষ্ট করের আওতায় আনার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।’
এ সময় তিনি খাতগুলোর কথা উল্লেখ করেন। খাতগুলো হলো- মুদি দোকান, তৈরি পোশাক বা কাপড়ের বিক্রেতা, কনফেকশনারি, কসমেটিক্স-এর দোকান, প্লাস্টিকের ও সিরামিকের গৃহস্থালি পণ্য, জুতার দোকান, হার্ডওয়্যার পণ্যের বিক্রেতা, ডেকোরেটরস, মোবাইল ফোন, এসি, ফ্রিজ, ওভেন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স পণ্যের বিক্রেতা, পেইন্ট ও হার্ডওয়্যার এবং সেনেটারি ও ফিটিংস, টাইলস এর দোকান, ঢেউটিনের দোকান, রড ও সিমেন্ট, ফার্ণিচার, বিউটি পার্লার, মিষ্টান্ন ভাণ্ডার ও রেস্টুরেন্ট।