Thursday 23 Apr 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

মাউশির মহাপরিচালকের চলতি দায়িত্বে অধ্যাপক সোহেল

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
২৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:১৮ | আপডেট: ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:০০

অধ্যাপক খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল

ঢাকা: মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) শীর্ষ পদে দীর্ঘদিনের শূন্যতা কাটিয়ে অবশেষে নতুন নেতৃত্ব যুক্ত হয়েছে। অধিদফতরের বর্তমান পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলকে মহাপরিচালক (ডিজি) পদের চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার এই গুরুত্বপূর্ণ দফতরে প্রশাসনিক স্থবিরতা কাটার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

অধ্যাপক খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বর্তমানে মাউশি অধিদফতরের মহাপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মাধ্যমিক শাখার পরিচালক হিসেবেও কর্মরত আছেন। এর আগে তিনি শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের একান্ত সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন। তবে মহাপরিচালকের গুরুত্বপূর্ণ চলতি দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি একান্ত সচিবের পদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন। অধিদফতরে নিয়মিত মহাপরিচালক না থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রম গতিশীল রাখার স্বার্থে তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করেছে সরকার।

বিজ্ঞাপন

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, অধ্যাপক খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিজ বেতন ও বেতনক্রমে মহাপরিচালকের চলতি দায়িত্ব পালনের জন্য পদায়ন করা হলো। প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট করা হয়েছে, এই চলতি দায়িত্ব কোনোভাবেই পদোন্নতি হিসেবে গণ্য হবে না এবং এই দায়িত্ব পাওয়ার কারণে তিনি ভবিষ্যতে কোনো পদোন্নতি দাবি করতে পারবেন না। সংশ্লিষ্ট পদে নিয়মিত পদোন্নতির মাধ্যমে কোনো কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়া হলে তার যোগদানের তারিখ থেকেই চলতি দায়িত্বের এই আদেশটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল বলে গণ্য হবে। জনস্বার্থে জারিকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ছয় মাস ধরে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরে নিয়মিত মহাপরিচালকের পদটি শূন্য ছিল, যা নিয়ে শিক্ষা প্রশাসনে বেশ অস্থিরতা বিরাজ করছিল। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে গত বছরের ১৪ অক্টোবর তৎকালীন মহাপরিচালক অধ্যাপক মুহাম্মদ আজাদ খানকে অপসারণ করে ওএসডি করা হয়। এর আগেও একই বছরে নিয়োগ পাওয়া অধ্যাপক এহতেসাম উল হককে দায়িত্ব পাওয়ার মাত্র এক মাসের মাথায় সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। শীর্ষ পদে এমন ঘন ঘন রদবদল এবং শূন্যতার কারণে দাফতারিক কাজে যে জটিলতা তৈরি হয়েছিল, অধ্যাপক সোহেলের এই নতুন দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে তার সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

সারাবাংলা/এফএন/এইচআই
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর