Friday 22 May 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

সমাজকল্যাণ ও নারী-শিশু উন্নয়নে আইএলওর সহায়তা চাইলেন ডা. জাহিদ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
১৯ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:৪২ | আপডেট: ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:২৮

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।

ঢাকা: বাংলাদেশে সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, নারী কর্মীদের অধিকার ও ক্ষমতায়ন এবং শিশু শ্রম নিরসনে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) আরও জোরালো প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহায়তা কামনা করেছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।

রোববার (১৯ এপ্রিল) সচিবালয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিজ দফতরে আইএলওর কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুননের নেতৃত্বে আসা একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

বৈঠকে মন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দেশের প্রান্তিক দরিদ্র ও অসহায় জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

বিজ্ঞাপন

আইএলওর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচিগুলোকে আরও কার্যকর ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উন্নীত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

মন্ত্রী বলেন, শিশুদের জন্য ডে-কেয়ার ও চাইল্ড কেয়ার সেন্টারের সংখ্যা বৃদ্ধির পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। নারীদের দক্ষতা উন্নয়ন, সহিংসতামুক্ত কর্মক্ষেত্র নিশ্চিত করা, দেশব্যাপী শিশু পরিচর্যা পরিষেবা সম্প্রসারণ এবং দক্ষ কেয়ারগিভারদের জন্য সনদপ্রাপ্ত ক্যাডার তৈরির বিষয়ে আইএলওর প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রয়োজন। এ ছাড়া নারী কেয়ারগিভারদের বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধির বিষয়েও তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুনন বাংলাদেশ সরকারের সামাজিক সুরক্ষা ও নারী-শিশু উন্নয়ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি জানান, আইএলও ‘জেন্ডার অ্যান্ড স্কিলস টাস্কফোর্স’ এবং ‘অ্যাকশন প্ল্যান’র মাধ্যমে নারী শ্রমশক্তির অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে কাজ করছে। এ ছাড়া ‘জাতীয় শিশু যত্ন রোডম্যাপ’ প্রণয়নে মন্ত্রণালয়কে কারিগরি সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

টুনন আরও বলেন, শ্রম অধিকার, লিঙ্গ সমতা এবং টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে আইএলও বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে অংশীদার হিসেবে কাজ করতে অত্যন্ত আগ্রহী।

বৈঠকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমীন পারভীন এনডিসি, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং আইএলও প্রতিনিধিদলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনায় ফ্যামিলি কার্ড, বয়স্ক ও বিধবা ভাতাসহ সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সঙ্গে আইএলওর বিভিন্ন প্রকল্পের সমন্বয় এবং শিশুশ্রম নির্মূলের প্রচেষ্টাকে ত্বরান্বিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সামাজিক উন্নয়ন ও শিশু সুরক্ষায় প্রকল্পগুলোতে আর্থিক অনুদান (গ্রান্ট) বৃদ্ধির বিষয়েও অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সারাবাংলা/এফএন/এইচআই
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর