Thursday 20 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

সীতাকুণ্ডে ইরা হত্যা মামলার রায় মঙ্গলবার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৫ জুলাই ২০২৬ ২৩:২১

সীতাকুণ্ডে ইরা হত্যা। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় আট বছর বয়সী শিশু ইরা মনিকে শ্বাসনালী কেটে হত্যা মামলার রায় মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ঘোষণা করা হবে।

চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক জান্নাতুল ফেরদৌস বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করেন।

অভিযোগপত্র আদালতে দাখিলের পর মাত্র ১২ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কার্যক্রম শেষ করে মামলাটি রায় ঘোষণার পর্যায়ে পৌঁছেছে। ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী আব্বাস হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘যুক্তিতর্ক শেষে আদালত রায়ের জন্য আগামী মঙ্গলবার দিন নির্ধারণ করেছেন।’

বিজ্ঞাপন

নিহত ইরা মনি সীতাকুণ্ড উপজেলার ছোট কুমিরা মাস্টারপাড়া এলাকার টমটমচালক মনিরুল ইসলামের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

মামলার নথি ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১ মার্চ সকালে চকলেট কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বাবু শেখ শিশুটিকে বাড়ি থেকে নিয়ে যান। পরে সীতাকুণ্ডের বোটানিক্যাল গার্ডেন সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় ইরা মনি বিষয়টি প্রকাশ করে দেওয়ার কথা বললে অভিযুক্ত ব্যক্তি ধারাল অস্ত্র দিয়ে তার গলা কেটে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

পরে স্থানীয় শ্রমিকরা গুরুতর আহত অবস্থায় ইরা মনিকে উদ্ধার করে প্রথমে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ৩ মার্চ তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় ইরা মনির মা বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে গত ১১ জুন পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। ১৮ জুন আদালত অভিযোগ গঠন করেন এবং ২১ জুন সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। বিচারিক কার্যক্রম শেষে এখন মামলাটির রায় ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার।

মামলার একমাত্র আসামি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মধ্যম পুলুপাড়া এলাকার বাসিন্দা বাবু শেখ (৪৫)। গত ৩০ জুন তিনি আদালতে সাফাই সাক্ষ্য দেন। এর আগে ছয় কার্যদিবসে মামলার ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়। দ্রুত বিচার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে অভিযোগপত্র দাখিলের পর অল্প সময়ের মধ্যেই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষ হয়।

সারাবাংলা/এসএন/পিটিএম
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর