Friday 22 May 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

চট্টগ্রামে বার নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াল জামায়াত সমর্থিত প্যানেল

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৬ মে ২০২৬ ২০:৫২ | আপডেট: ৬ মে ২০২৬ ২২:৪১

চট্টগ্রামে বার নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াল জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদ’। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম: নির্বাচন কমিশনের স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি নির্বাচন-২০২৬ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদ’। সেইসঙ্গে বর্তমান নির্বাচন কমিশন বাতিল করে দুই মাসের মধ্যে নতুন কমিশন গঠন করে ফের নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

বুধবার (৬ মে) বিকেল চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এ ঘোষণা ও দাবি তুলে ধরা হয়।

লিখিত বক্তব্যে পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শামসুল আলম অভিযোগ করেন, ‘নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষতা হারিয়ে একটি পক্ষকে সুবিধা দিতে কাজ করছে। এতে সমিতির ঐতিহ্য ও গণতান্ত্রিক নির্বাচনি পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ‘মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমাদানের সময় প্রার্থীদের বাধার মুখে পড়তে হয়েছে। অনেককে কমিশন কার্যালয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি এবং বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়েছে।’

লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, তফসিল অনুযায়ী গত ৫ মে বিকেল ৫টার মধ্যে বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করার কথা থাকলেও তা প্রকাশ করা হয়নি। একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি বলেও অভিযোগ করা হয়।

সংগঠনটির দাবি, পরে কমিশনের পক্ষ থেকে নির্বাচন না করে আপসের মাধ্যমে নির্দিষ্ট প্রার্থীদের বিজয়ী ঘোষণা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। এতে রাজি না হওয়ায় তাদের প্রার্থীদের ওপর চাপ সৃষ্টি ও হুমকি দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া প্রার্থীদের পুলিশ ও প্রশাসনের মাধ্যমে হয়রানির আশঙ্কাও রয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়। সার্বিক পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে উল্লেখ করে সংগঠনটি আসন্ন নির্বাচনকে ‘প্রহসনের নির্বাচন’ আখ্যা দিয়ে তা বর্জনের ঘোষণা দেয়।

সেই সঙ্গে তারা বর্তমান নির্বাচন কমিশন বাতিল করে আগামী দুই মাসের মধ্যে নতুন, নিরপেক্ষ কমিশন গঠন করে পুনরায় নির্বাচন আয়োজনের জোর দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর