ইরানের সব বন্দরে আবারও নৌ অবরোধ আরোপ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের ওপর টানা চতুর্থ রাতের মতো হামলা চালানোর পর এই অবরোধ আরোপ করা হয়।
সিএনএন এর খবরে বলা হয়েছে, মার্কিন সামরিক বাহিনী বলেছে যে তারা মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাত থেকে বুধবার (১৫ জুলাই) পর্যন্ত ইরানে ‘সাত ঘন্টাব্যাপী’ এ হামলা চালানো হয়।
এসময় হরমুজ প্রণালি এবং উপকূলীয় অঞ্চলের কাছে কয়েক ডজন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, হামলায় ইরাকের সঙ্গে ইরানের সীমান্তের কাছে একটি পানির বোতলজাত প্ল্যান্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তেহরান জানিয়েছে, গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ফের সংঘাত শুরু হওয়ার পর তারা আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে।
কয়েক মাসের সংঘাতের পর গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি হয়েছিল, নতুন উত্তেজনায় তাও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘ (ইরানের) জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে শেষের জন্য রেখে দিচ্ছি, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেগুলোতেও হামলা হবে।’
তেহরানকে হুঁশিয়ার করে তিনি বলেন, ‘তারা যদি আলোচনার টেবিলে ফিরে না আসে, আগামী সপ্তাহে বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতু—সবই নিশানা করা হবে।’
ট্রাম্প বলছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের আলোচকরা ইরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এই বার্তা দিয়েছেন যে, তাদের অবশ্যই একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে হবে।’
অন্যদিকে, ইরানের সেনাবাহিনী দাবি করেছে, বুধবার ভোরে তারা জর্ডানের আজরাকে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পেন্টাগনের কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) বলেছে, তারা বাহরাইন ও কুয়েতে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের গুদামে হামলা চালিয়েছে।