Monday 20 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের ৩ দিন পর জবি ডিনের পদত্যাগ

জবি করেসপন্ডেন্ট
১৯ জুলাই ২০২৬ ১৯:২৬ | আপডেট: ২০ জুলাই ২০২৬ ১০:৩৩

পদত্যাগ করা ডিন ডিন অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলাম।

জবি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলাম পদত্যাগ করেছেন। এর আগে তাকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের একাংশের প্রতিবাদ, বিক্ষোভ ও অপসারণের দাবিতে কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় বিক্ষোভের তিন দিন পর রোববার (১৯ জুলাই) ড. আইনুল ইসলাম ডিন পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ নিয়োগের তথ্য জানানো হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ১২ জুলাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৫ অনুযায়ী জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলামকে সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে নিয়োগের পরপরই জুলাই আন্দোলনকালীন তার ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন ও শিক্ষার্থীদের একটি অংশ আপত্তি জানিয়ে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দেয়।

বিজ্ঞাপন

গত ১৬ জুলাই সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন কার্যালয়ের সামনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় তারা ড. আইনুল ইসলামকে ডিন পদ থেকে অপসারণের দাবি জানান। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীদের চাপের মুখে তিনি ডিন কার্যালয় ত্যাগ করেন।

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তিন পৃষ্ঠার একটি লিখিত বক্তব্য প্রকাশ করে জানায়, ড. আইনুল ইসলামকে ঘিরে উত্থাপিত অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট তথ্য-প্রমাণ যাচাই করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। একই সঙ্গে প্রশাসন শিক্ষকদের প্রতি ভীতি প্রদর্শন, হেনস্তা বা বিচারবহির্ভূত আচরণের বিরোধিতা করে সমস্যার প্রাতিষ্ঠানিক সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করে।

প্রশাসনের বক্তব্যে আরও বলা হয়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা, শহিদ ও আহতদের আত্মত্যাগ এবং শিক্ষার্থীদের ন্যায়সংগত অনুভূতির প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পূর্ণ শ্রদ্ধা রয়েছে। তবে কোনো অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে যথাযথ তথ্য-প্রমাণ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিবিধান অনুসরণ করা হবে।

তবে তার পদত্যাগের কারণ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলাম কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কোনো বক্তব্য দিতে চাই না। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানে।’

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর