Tuesday 17 Mar 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

উত্তরখানে ঈদগাহ ও খেলার মাঠ উদ্বোধন করলেন ডিএনসিসি প্রশাসক

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১৭ মার্চ ২০২৬ ১৬:৫০

উদ্বোধন করেন ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

ঢাকা: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন অঞ্চল-৮ এর ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তরখান মধ্যপাড়া এলাকায় নবনির্মিত ঈদগাহ্ ও খেলার মাঠ উদ্বোধন করেছেন ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) আনুষ্ঠানিকভাবে নবনির্মিত এ ঈদগাহ ও খেলার মাঠ উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, এই ঈদগাহটি ঈদের নামাজের পাশাপাশি এই অঞ্চলের একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে। শিশু, বৃদ্ধ এবং নারীরা এই মাঠ নিরাপদে ব্যবহার করতে পারবে।

নগরীর পরিচ্ছন্নতা এবং মশক নিয়ন্ত্রণে ডিএনসিসির অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, শুধু মশার ওষুধ দিয়ে মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। আমাদের চারপাশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন না রাখলে এবং সচেতনতা সৃষ্টি করা না গেলে মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে না।

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রকিবুল হাসান।

পূর্বে করপোরেশনের পুরাতন ৩টি অঞ্চলে মাত্র তিনটি ঈদগাহ মাঠ থাকলেও নতুন সংযুক্ত ৫টি অঞ্চলে কোনো ঈদগাহ মাঠ ছিল না। এই প্রেক্ষাপটে ডিএনসিসির পরিবেশ, জলবায়ু ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সার্কেলের উদ্যোগে ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডে এই ঈদগাহ্ ও খেলার মাঠ নির্মাণের কাজ হাতে নেওয়া হয়। ২ কোটি ৭৯ লাখ ৪২ হাজার টাকা ব্যয়ে ডিএনসিসির নিজস্ব তহবিল থেকে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়।

প্রায় ৩০ শতাংশ আয়তনের এই মাঠে একসঙ্গে প্রায় ১২৫০ জন মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করতে পারবেন। এ ছাড়াও এখানে জানাজার নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা রয়েছে। মাঠটিতে ১৫০ মিটার ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ৫ ফুট চওড়া ও ১৫০ মিটার দীর্ঘ হাঁটার পথ এবং ১ দশমিক ৭ মিটার উচ্চতার নিরাপত্তা বেষ্টনী নির্মাণ করা হয়েছে।

ঈদগাহে পুরুষ, মহিলা ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য পৃথক সুবিধাসহ একটি আধুনিক পাবলিক টয়লেট, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা ও অযুখানা রয়েছে।

মাঠে শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার জন্য ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলনা সামগ্রী রাখা হয়েছে। পানি সরবরাহের জন্য পাম্প স্থাপন করা হয়েছে এবং যাতায়াতের সুবিধার্থে ২টি বড় গেট ও ১টি পকেট গেট নির্মাণ করা হয়েছে। মাঠটি সবুজ ঘাস ও গাছ দ্বারা আচ্ছাদিত এবং ওয়াকওয়ের চারপাশে ১২টি বসার ব্যবস্থা ও ৬টি ডাস্টবিন স্থাপন করা হয়েছে।

নবনির্মিত এই ঈদগাহ্ ও খেলার মাঠ ঈদের সময় ধর্মীয় কার্যক্রমের পাশাপাশি বছরের অন্যান্য সময়ে স্থানীয় শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার জন্য ব্যবহৃত হবে, যা একটি সুস্থ ও সবুজ নগর গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন প্রশাসক।

সারাবাংলা/এমএইচ/এইচআই
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর