Saturday 16 May 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

সম্প্রীতির বার্তা নি‌য়ে সিরাজগঞ্জে সংস্কৃতির মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
১৬ মে ২০২৬ ১৫:৪৪

বৈচিত্র্যের ঐক্য সংস্কৃতির মিলনমেলায় বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খ‌নিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

সিরাজগঞ্জ: সিরাজগঞ্জে নানা ভাষা, সংস্কৃতি ও সামাজিক বৈচিত্র্যের মধ্যেও ঐক্য ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে বৈচিত্র্যের ঐক্য সংস্কৃতির মিলনমেলা।

শনিবার (১৬ মে) সকাল ১০টায় শহরের মুক্তির সোপান প্রাঙ্গণে বর্ণাঢ্য আয়োজনে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খ‌নিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

এ সময় সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ আমিনুল ইসলাম পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম সানতু, সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এ মামুন খান, এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানের শুরুতেই অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। পরে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে মূল পর্ব শুরু হয়। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীরা গান, নৃত্য, কবিতা আবৃত্তি ও লোকজ পরিবেশনার মাধ্যমে দেশের বহুমাত্রিক সংস্কৃতিকে তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ তাদের নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী পোশাক, খাবার ও সংস্কৃতি উপস্থাপন করেন, যা উপস্থিত দর্শনার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি করে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো আমাদের বৈচিত্র্যের মধ্যকার ঐক্য। ধর্ম, ভাষা কিংবা সংস্কৃতিগত ভিন্নতা থাকলেও আমরা সবাই একই দেশের নাগরিক। এই সম্প্রীতির বন্ধন রক্ষা করতে পারলেই দেশ আরও এগিয়ে যাবে। তিনি তরুণ প্রজন্মকে অসাম্প্রদায়িক চেতনা ধারণ করে মানবিক বাংলাদেশ গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, সংস্কৃতি মানুষের মননকে সমৃদ্ধ করে এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ তৈরি করে। এ ধরনের আয়োজন সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি জেলার বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত সাংস্কৃতিক আয়োজন বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন ও অংশগ্রহণকারীদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। দিনব্যাপী এই আয়োজন ঘিরে মুক্তির সোপান এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও সামাজিক সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

সারাবাংলা/এনজে
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর