নীলফামারী: নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে দুইজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জেল-জরিমানা করেছে প্রশাসন। এ সময় এক অভিযুক্ত ঘটনাস্থলেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার হরিণচড়া ধরধরার পাড় এলাকার দেওনাই নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ওই এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে মো. ফারুখ (৩০) এবং ডিমলা উপজেলার ট্রাক্টরচালক অমলকে (২৮) ১ লাখ টাকা জরিমানা করেন ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
জরিমানা ঘোষণার পরপরই অভিযুক্ত মো. ফারুখ ঘটনাস্থলেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে কিছুক্ষণ পর তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই প্রভাবশালী একটি চক্র দিনে এবং রাতের আঁধারে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে। এতে নদীর তীর ভেঙে পড়ছে এবং আশপাশের ফসলি জমি হুমকির মুখে পড়েছে। প্রশাসনের নজরদারি থাকলেও অনেক সময় তা এড়িয়ে এই চক্র সক্রিয় থাকে। দ্রুত এসব অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান এলাকাবাসী।
ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শায়লা সাঈদ তন্বী বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে দুইজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাদের এক মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং নদীভাঙনসহ বিভিন্ন ক্ষতি প্রতিরোধে এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ বিষয়ে এলাকাবাসীকেও সচেতন ও সোচ্চার থাকার আহ্বান জানান তিনি।