Wednesday 15 Apr 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

তেলের লাইনের ভোগান্তি এড়াতে ইলেকট্রিক বাইকে ঝুঁকছেন গাইবান্ধার ক্রেতারা

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
১৫ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:২৩

ইলেক্ট্রিক বাইকের দোকানে ক্রেতারা।

গাইবান্ধা: গাইবান্ধায় জ্বালানি সংকটের কারণে তেলের লাইনে দীর্ঘসময় অপেক্ষার ভোগান্তি এড়াতে অনেকেই ইলেকট্রিক বাইকের দিকে ঝুঁকছেন। এতে জেলায় বিদ্যুৎচালিত এ বাহনের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

জেলা শহরের কয়েকটি ইলেকট্রিক বাইক শোরুম ঘুরে দেখা যায়, আগের তুলনায় বিক্রি বেড়েছে কয়েকগুণ। সর্বনিম্ন ৬০ হাজার টাকা থেকে প্রায় দুই লাখ টাকার মধ্যে বিভিন্ন মডেলের বাইক পাওয়া যাচ্ছে। ব্যাটারির ক্ষমতা ও মানভেদে দামের পার্থক্য রয়েছে।

বিক্রেতারা জানান, একবার চার্জে ৭০ থেকে ১৬০ কিলোমিটার চলতে পারা এবং রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কম হওয়ায় গ্রাহকদের আগ্রহ বাড়ছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বেশি কিনছেন।

বিজ্ঞাপন

ফরচুনা অটোর স্বত্বাধিকারী সোয়েব আলম বলেন, ‘আগে মাসে ৫-৬টি বাইক বিক্রি হতো; কিন্তু গত ২০ দিনে প্রতিদিনই কমবেশি বিক্রি হচ্ছে। জ্বালানির ঝামেলা এড়াতেই মানুষ ইলেকট্রিক বাইকের দিকে ঝুঁকছে।’

ক্রেতারাও বলছেন, তেলের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা সময়সাপেক্ষ ও কষ্টকর। তাই বিকল্প হিসেবে ইলেকট্রিক বাইকই এখন ভরসা। অনেকেই আবার ইঞ্জিনচালিত মোটরসাইকেলের পাশাপাশি দ্বিতীয় বাহন হিসেবেও এটি কিনছেন।

ক্রেতা শরিফুল ইসলাম সবুজ বলেন, ‘প্রতিদিন তেলের জন্য লাইনে দাঁড়ানো খুব কষ্টকর। ইলেকট্রিক বাইক থাকলে অন্তত সেই ঝামেলা নেই। দামটা একটু কম হলে আরও ভালো হত।’

গাইবান্ধা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের চিফ ইন্সট্রাক্টর প্রকৌশলী মাহমুদুল হক কাজল বলেন, ‘প্রচলিত মোটরসাইকেলের তুলনায় ইলেকট্রিক বাইকে শক্তি খরচ অনেক কম। তাই জ্বালানির বিকল্প হিসেবে এটি কার্যকর হতে পারে। তবে বিদ্যুতের উৎস যদি নবায়নযোগ্য হয়, তাহলে এর সুফল পুরোপুরি পাওয়া যাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান সংকটই শেষ নয়। টেকসই সমাধানের জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে যেতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।’

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর