Thursday 11 Jun 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

গ্যাস-অ্যাসিডিটি তাড়াতে জাদুকরী জুস

লাইফস্টাইল ডেস্ক
১১ জুন ২০২৬ ১৮:২৯

আমাদের নিত্যদিনের বাজারে সহজলভ্য একটি সবজি হলো চালকুমড়া (যা বিশ্বজুড়ে অ্যাশ গার্ড বা উইন্টার মেলন নামে পরিচিত)। এটি কেবল তরকারি হিসেবেই নয়, জুস হিসেবেও দারুণ উপকারী। প্রাচীনকাল থেকেই আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় এর ব্যবহার হয়ে আসছে। রান্নার চেয়ে কাঁচা চালকুমড়ার রস পান করলে এর পুষ্টিগুণ শতভাগ বজায় থাকে।

আসুন জানেন নেই, নিয়মিত এই জুস পান করার সুফলগুলো…

হজমশক্তির উন্নতি ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর

চালকুমড়ার জুস পাকস্থলীর ভেতরের পরিবেশ উন্নত করে এবং অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বাড়াতে সাহায্য করে। এটি পেট ঠাণ্ডা রাখে এবং ফাইবার বা আঁশযুক্ত হওয়ায় কোষ্ঠকাঠিন্যের স্থায়ী সমাধান করে।

বিজ্ঞাপন

বুক জ্বালাপোড়া ও অ্যাসিডিটি নিরাময়

যাঁরা প্রতিনিয়ত গ্যাসের সমস্যায় ভোগেন, তাঁদের জন্য এটি মহৌষধ। এই জুসটি প্রাকৃতিকভাবে ক্ষারীয় বা অ্যালকালাইন সমৃদ্ধ। ফলে খালি পেটে এটি পান করলে পাকস্থলীর অতিরিক্ত ক্ষতিকর অ্যাসিড নিষ্ক্রিয় হয়ে যায় এবং পেটের জ্বালাপোড়া কমে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দ্বিগুণ করা

এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি এবং শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এগুলো শরীরের কোষকে নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করে এবং যেকোনো ধরনের জীবাণুর সংক্রমণ বা রোগব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি জোগায়।

শরীরকে বিষমুক্ত ও হাইড্রেটেড রাখা

চালকুমড়ার প্রায় ৯৫ শতাংশই পানি। তাই এর রস পান করলে শরীরে কখনো পানির ঘাটতি হয় না। এটি কিডনি সচল রাখতে এবং শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বা বর্জ্য বের করে দিতে দারুণ কার্যকর।

ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়ানো

এই সবজির রসে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা ফুসফুসে জমে থাকা বাড়তি মিউকাস বা কফ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। এর ফলে শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রক্রিয়া স্বাভাবিক ও সহজ হয়।

মানসিক চাপ ও ক্লান্তি দূর

মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতে চালকুমড়ার জুস দারুণ কাজ করে। এটি স্নায়ুকে শান্ত রাখে, যার ফলে দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ কমে ঘুম ভালো হয়। একে প্রকৃতির এক দারুণ ‘রিলাক্সিং ড্রিংক’ বলা যায়।

দ্রুত ওজন নিয়ন্ত্রণ

যাঁরা ডায়েট করছেন বা শরীরের বাড়তি মেদ কমাতে চান, তাঁদের জন্য এটি আদর্শ পানীয়। এতে ক্যালরির পরিমাণ নামমাত্র, কিন্তু ফাইবারের মাত্রা অনেক বেশি। ফলে এটি পান করলে দীর্ঘক্ষণ ক্ষুধা লাগে না এবং শরীরের বাড়তি চর্বি ঝরতে সাহায্য করে।

ত্বকের উজ্জ্বলতা ও সজীবতা

নিয়মিত এই জুস পানে শরীরের ভেতর থেকে ময়লা পরিষ্কার হয়, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে ত্বকে। এটি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে এবং ব্রণ বা ফুসকুড়ির সমস্যা দূর করে ত্বককে লাবণ্যময় করে তোলে।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর