Tuesday 14 Apr 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

জয়ার আঙিনায় বৈশাখী মেলা

এন্টারটেইনমেন্ট ডেস্ক
১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:৫৯

বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণের মধ্যে পহেলা বৈশাখ হলো প্রাণের উৎসব। আর ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের এই প্রথম দিনটিকে বরণ করে নিতে এবার এক অভিনব ও ব্যতিক্রমী ঘরোয়া আয়োজনে মাতলেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। রাজধানীর নিজের বাসভবনেই তিনি যেন তুলে এনেছেন এক খণ্ড গ্রামবাংলাকে। বর্ণিল কাগজ, রঙিন ঘুড়ি আর গ্রামীণ সংস্কৃতির নানা উপকরণে পুরো বাড়িটিকে সাজিয়ে তোলা হয়েছে উৎসবের আমেজে, যা দেখে মনে হচ্ছে কোনো এক গ্রামীণ মেলার প্রাঙ্গণ।

জয়া আহসানের এই ঘরোয়া আয়োজনে ছিল আভিজাত্য আর ঐতিহ্যের মিশেল। আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য খাবারের মেন্যুতে ছিল বাঙালির চিরাচরিত মুখরোচক সব খাবার। মুড়কি, মোয়া, বাতাসা, গজা আর ফলমূলের বাহারি আয়োজনের পাশাপাশি মূল আকর্ষণ হিসেবে ছিল পান্তা-ইলিশ ও হরেক রকমের দেশি ভর্তা। তবে সবচেয়ে চমকপ্রদ ছিল বাড়ির আঙিনায় তৈরি ছোট আকারের বৈশাখী মেলার পরিবেশ। সেখানে শুধু খাবারই নয়, ছিল ফুচকা বিক্রেতা এবং টিয়াপাখির মাধ্যমে ভাগ্য গণনার মতো মজার সব আয়োজন, যা উপস্থিত অতিথিদের শৈশবের স্মৃতি মনে করিয়ে দিয়েছে। প্রিয় অভিনেত্রীর এই আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে উৎসবে সামিল হয়েছিলেন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী ও শরীফুল রাজসহ শোবিজের আরও অনেক পরিচিত মুখ।

বিজ্ঞাপন

পহেলা বৈশাখের দুপুরের পরপরই জয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই আনন্দঘন মুহূর্তের ছবি শেয়ার করে সবার সঙ্গে উৎসবের আমেজ ভাগ করে নেন। তার মতে, বৈশাখ মানে কেবল উৎসব নয়, বরং এটি শিকড়ের সন্ধানে ফেরার এক অনন্য সময়। এই দিনটিতে জয়া নিজেকে বাঙালির হাজার বছরের সংস্কৃতির মধ্যেই ডুবিয়ে রাখতে পছন্দ করেন। বিশেষ করে পান্তা-ইলিশ খাওয়ার পেছনে তিনি এক গভীর দর্শনের কথা বলেন। জয়া মনে করেন, এই খাবারের মাধ্যমে এ দেশের মেহনতি কৃষকদের জীবনযাত্রার প্রতি সম্মান জানানো হয়, কারণ পান্তা ভাত কৃষিজীবী মানুষের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। জয়ার এই প্রাণবন্ত আয়োজনে বাঙালির নববর্ষ উদযাপন যেন নতুন করে এক ভিন্ন মাত্রা পেল।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর