Monday 24 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

নিউজিল্যান্ডেও শেখ হাসিনার উচ্ছ্বাসিত প্রশংসায় তামিম


১০ মার্চ ২০২১ ১৫:২৫

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ খেলতে দেশ ছাড়ার আগে তামিম ইকবালসহ বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের আরও বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় করোনার ভ্যাক্সিন নিয়েছিলেন। মহামারিকালে কালবিলম্ব না করে দেশবাসীকে ভ্যাক্সিনের আওতায় আনায় সেদিন রাজধানীর কুর্মিটোলা হাসপাতালের সামনে দেশের অগনিত গণমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রশংসাবানীতে ভাসিয়েছিলেন টাইগার ওয়ানডে দলপতি। সেই ধাবাহিকতায় এবার নিউজিল্যান্ডের গণমাধ্যমেও নিজ দেশের প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করলেন দেশের সেরা এই রান সংগ্রাহক।

বলার অপেক্ষাই রাখে না করোনা অতিমারির প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে ও দেশের আপামর জনসাধারণকে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের ছোবল থেকে রক্ষার্থে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভ্যাক্সিনেশনের উদ্যোগ দেশে তো বটেই দেশের বাইরেও সুনাম কুড়িয়েছে। তাছাড়া তামিম ইকবালসহ আরও বেশ কয়েকজন ভ্যাক্সিন নিয়ে তবেই দেশ ছেড়েছেন সেটা নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড তো বটেই দেশটির সরকারও (কোভিড নিয়ন্ত্রণ কৃর্তৃপক্ষ-এমআইকিউ) এ বিষয়ে সম্যক অবগত। সেকারণেই হয়ত ক্রাইস্টচার্চে টিম বাংলাদেশের ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইন শেষে দেশটির গণমাধ্যম তামিম ইকবালের কাছে ভ্যাক্সিনেশনের অভিজ্ঞতা জানতে চাইলেন। তামিমও অকপটে তার অভিজ্ঞতার ঝাঁপি খুলে দিলেন।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (১০ মার্চ) নিউজিল্যান্ড থেকে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠান বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ভিডিও বার্তায় টাইগার ওয়ানডে দলপতি বলেন, ‘এটাই (টিকা) ভবিষ্যৎ, আমার মনে হয়। কোনো একটা পর্যায়ে সবাইকেই নিতে হবে। দেশ হিসেবে আমাদের দেশ অসাধারণ কাজ করেছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী অগ্রণী ভূমিকা নিয়ে আগে থেকেই সব ব্যবস্থা করেছেন। দারুণ কাজ করেছেন তিনি। জাতি হিসেবে আমরা খুবই সৌভাগ্যবান। শুধু আমরা ক্রিকেটাররাই নয়, সাধারণ মানুষও ভ্যাকসিন পাচ্ছে এবং সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হলো, সবার জন্য ফ্রি। জাতি হিসেবে আমরা যা করেছি, বাংলাদেশকে নিয়ে আমি গর্বিত। আমি নিশ্চিত অন্যান্য দেশও এটা অনুসরণ করবে এবং আগে হোক বা পরে, সবাইকে নিতেই হবে। আমি নিজেও প্রথম ডোজ নিয়েছি। খারাপ লাগেনি, কোনো কিছু অনুভব করিনি। দারুণ ছিল সবকিছু।’

নিউজিল্যান্ড সফরে দেশটির সরকারের বাধ্যতামুলক ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন আজ স্থানীয় সময় বিকেল ৩টায় শেষ করেছে টিম বাংলাদেশ। প্রায় অর্ধ মাসের এই কোয়ারেন্টাইনে বাংলাদেশ দলের শৃঙ্খলা ও কোয়ারেন্টাইন ইস্যুতে প্লেয়ার ও টিম ম্যানেজমেন্টের সার্বিক সহাযোগিতায় দারুণ খুশি দেশটির সীমান্ত কোভিড ব্যবস্থাপনা ইউনিট-এমআইকিউ (ম্যানেজড আইসোলেশন অ্যান্ড কোয়ারেন্টাই)। এবং সেজন্য তারা সফরকারি দলকে উচ্ছ্বাসিত প্রশংসায়ও ভাসিয়েছেন।

এদিকে কোয়ারেন্টাইন পর্ব শেষে আজ স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার ফ্লাইটে ক্রাইস্টচার্চ ছেড়ে কুইন্সটাউনে পৌঁছেছে ডোমিঙ্গো শিষ্যরা। সেখানেই শুরু হবে সিরিজের মূল প্রস্তুতি। এরপর শুরু হবে মূল লড়াই। স্বাগতিকদের বিপক্ষে সফরকারি বাংলাদেশের তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডে গড়াবে ২০ মার্চ ডুনেডিনে, দ্বিতীয়টি ২৩ মার্চ ক্রাইস্টচার্চে, তৃতীয় ও শেষটি ২৬ মার্চ ওয়েলিংটনে।

আর টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচটি গড়াবে ২৮ মার্চ, হ্যামিল্টনে। দ্বিতীয়টি ৩০ মার্চ নেপিয়ারে ও তৃতীয়টি ১ এপ্রিল, অকল্যান্ডে।