Monday 24 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ক্লাব বিশ্বকাপ জিতে বায়ার্নের হেক্সা পূরণ

স্পোর্টস ডেস্ক
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ০৮:১৯

ক্লাব ফুটবলের ইতিহাসে গতরাতের আগে পর্যন্ত একমাত্র দল হিসেবে এক মৌসুমের সবগুলো শিরোপা জয়ের রেকর্ড ছিল কেবল বার্সেলোনার। তবে বৃহস্পতিবার রাতে টাইগ্রেসকে ১-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে ক্লাব বিশ্বকাপ জিতে নেওয়া বায়ার্ন নতুন করে লিখল ইতিহাস। বার্সেলোনার পর একমাত্র ক্লাব হিসেবে জিতল হেক্সা। অর্থাৎ এক মৌসুমের সম্ভাব্য ছয়টি শিরোপার সবগুলোই।

কাতারের এডুকেশন সিটি স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার ফাইনালে ১-০ ব্যবধানে জেতে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নরা। বায়ার্নের হয়ে একমাত্র জয়সূচক গোলটি আসে বেঞ্জামিন পাভার্ডের কাছ থেকে।

ইতিহাস গড়া এই জয়ের আগে ২০০৯ সালে পেপ গার্দিওলার বার্সেলোনা প্রথমবারের মতো এই রেকর্ড গড়েছিল। গেল ২০১৯/২০ মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, বুন্দেসলিগা, জার্মান কাপ, উয়েফা সুপার কাপ ও জার্মান সুপার কাপ জিতেছিল বায়ার্ন মিউনিখ। অপেক্ষা ছিল কেবল ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের, সূচি অনুযায়ী গত ডিসেম্বরেই ক্লাব বিশ্বকাপ আয়োজিত হওয়ার কথা থাকলেও করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে তা পিছিয়ে দেওয়া হয় ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

বিজ্ঞাপন

টাইগ্রেসের বিপক্ষে ম্যাচের ১৮ মিনিটের মাথায় গোল করে বায়ার্নকে লিড এনে দেন জশুয়া কিমিচ। তবে ভিএআরের সাহায্যে অফসাইডের বাঁশি বাজান রেফারি। কিমিচের শটের সময় অফসাইড পজিশনে বলের লাইনে ছিলেন রবার্ট লেভান্ডোফস্কি। বল যদিও তিনি স্পর্শ করেননি।

দ্বিতীয়ার্ধেও বায়ার্নের একের পর এক প্রচেষ্টায় মিলছিল না সাফল্য। অবশেষে ৫৯তম মিনিটে এগিয়ে যায় তারা। কিমিচের ক্রসে লেভান্ডোফস্কির হেড পোস্ট ছেড়ে এগিয়ে এসে ঠেকানোর চেষ্টা করেন গোলরক্ষক। বল পেয়ে ফাঁকা জালে পাঠান পাভার্ড। লাইন্সম্যান শুরুতে অফসাইডের পতাকা তুললেও ভিএআরে পাল্টায় সিদ্ধান্ত।

৮২তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ হতে পারতো। বদলি নামা তোলিসোর দূরপাল্লার শট গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসলে বায়ার্ন গোলবঞ্চিত হয়। একটু পর ডাবল সেভ করেন গোলরক্ষক। লেভান্ডোফস্কির বদলি নামা এরিক মাক্সিম চুপো-মোটিংয়ের শট ফেরানোর পর কিমিচের শটও ঠেকান তিনি।

এর আগে সেমিফাইনালে ব্রাজিলিয়ান ক্লাব পালমেইরাসকে হারিয়ে উত্তর আমেরিকার প্রথম দল হিসেবে প্রতিযোগিতাটির ফাইনালে আসে টাইগ্রেস। ক্লাব বিশ্বকাপে এটি বায়ার্নের দ্বিতীয় শিরোপা। ২০১৩ সালের জিতেছিল প্রথমবার।

তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে পালমেইরাসকে টাইব্রেকারে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়েছে মিশরের আল আহলি। নির্ধারিত সময়ে স্কোরলাইন গোলশূন্য ড্র ছিল। সেমিফাইনালে আল আহলির বিপক্ষে জোড়া গোল করা লেভান্ডোফস্কি জিতেছেন টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার গোল্ডেন বল।

সারাবাংলা/এসএস