Saturday 18 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

‘জাতীয় বীরদের আত্মত্যাগকে কটাক্ষ দুর্ভাগ্যজনক’

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
১১ জুলাই ২০২৪ ১৮:৪৬

ঢাকা: বিশ্বের সব দেশেই চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা রয়েছে। কোটা আন্দোলনের নামে তরুণ শিক্ষার্থীরা জাতীয় বীরদের আত্মত্যাগকে কটাক্ষ করছে, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেছে সংগঠন সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম- মুক্তিযুদ্ধ’ ৭১।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সংগঠনটির কার্যনির্বাহী সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নূরুল আলম এবং মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন হাবীব এক যৌথ বিবৃতিতে এ কথা বলেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘কোটা আন্দোলনের বাতাবরণে দেশের স্বাধীনতাবিরোধী মহলের অনুপ্রবেশ ঘটলে এবং বাংলাদেশের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জাতীয় বীরদের আত্মত্যাগকে কটাক্ষ ও অবমূল্যায়ন করা হলে তা হবে চরম দুর্ভাগ্যজনক ও উদ্বেগজনক।’

বিজ্ঞাপন

ফোরাম আরও বলছে, ‘নতুন প্রজন্মের নাগরিকদের আমরা জাতির শ্রেষ্ঠ সময় মুক্তিযুদ্ধকে জানবার আহ্বান জানাই। তাদের আরও স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে, মুক্তিবাহিনীর যে সh সদস্য ১৯৭১ সালে জীবনবাঁজি রেখে পাকিস্তান হানাদার সেনা বাহিনী ও তাদের দেশীয় অনুচরদের বিরুদ্ধে লড়াই করে স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্র গড়েছিলেন তাদের সিংহভাগ ছিলেন গ্রামেগঞ্জের সুবিধাবঞ্চিত দেশপ্রেমিক মানুষ যারা কয়েক যুগ ধরে উপেক্ষিত ও অবহেলিত থেকেছেন। কিছু উন্নয়নের পরেও জনসংখ্যার অর্ধেক নারী সমাজ আজও পিছিয়ে আছে। পিছিয়ে আছে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী ও শারীরিক প্রতিবন্ধীরা। অতএব রাষ্ট্রের চাকরিক্ষেত্রে তাদের সকলের জন্য বিবেচনা প্রসূত হারে কোটার ব্যবস্থা অবশ্যই যুক্তিসঙ্গত।’

সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম-মুক্তিযুদ্ধ’৭১ মনে করে, অনেক বছরের ব্যবধানে, বিশেষত মহান মুক্তিযুদ্ধের ৫৩ বছর পার হওয়ার পর পূর্বেকার কোটা ব্যবস্থার যুক্তিসঙ্গত ও বাস্তবসম্মত সংস্কার হতে পারে- যাতে নতুন প্রজন্মের সত্যিকার মেধাবীরা বঞ্চিত না হয়।’

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘২০১৮ সালের ছাত্র আন্দোলনের ফলে সরকার সব ধরনের কোটা রহিত করে পরিপত্র জারি করে, যা সুবিবেচনা প্রসূত ছিল বলে সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম মনে করে না। এরই পরিপ্রেক্ষিতে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের পক্ষ থেকে পরিপত্রের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিট দায়ের করা হয়। মাননীয় হাইকোর্ট ২০১৮ সালের পরিপত্রটি বাতিল ঘোষণা করে আদেশ জারি করেন। সরকারের পক্ষ থেকে রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিলও দায়ের করা হয়। আপিল বিভাগ হাই কার্টের রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়ে কয়েকটি পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন। তারপরেও আন্দোলন দৃশ্যমান হচ্ছে।’

সারাবাংলা/ইএইচটি/একে
বিজ্ঞাপন

আরো