Friday 17 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ঈদের দিনেও মানববন্ধন করলেন শিক্ষক নিবন্ধনে নিয়োগবঞ্চিতরা

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
১৭ জুন ২০২৪ ১৮:২৬ | আপডেট: ১৮ জুন ২০২৪ ০১:১৭

ঢাকা: ঈদের দিনেও নিজেদের দাবি আদায়ে মাঠে নেমেছেন শিক্ষক নিবন্ধনে নিয়োগবঞ্চিতরা। সোমবার (১৭ জুন) ঈদুল আজহার দিন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে তারা মানবন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।

তাদের অভিযোগ, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) দেরিতে ফল প্রকাশ করায় ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস করেও বয়স জটিলতায় তারা নিয়োগবঞ্চিত হয়েছেন। তারা এ নিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করো তাদের  সুযোগ করে দেওয়ার দাবি জানান।

তাদের বক্তব্য, এনটিআরসিএ দেরিতে ফল প্রকাশ করায় ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনে পাস করা অনেক চাকরিপ্রার্থীর বয়স ৩৫ বছর অতিক্রম করেছে। প্রতি বছর একবার পরীক্ষা নেওয়া ও ফল প্রকাশের নিয়ম থাকলেও ২০২০ সালের পরীক্ষার ফল দেওয়া হয় ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে। এতে প্রিলিমিনারি, লিখিত ও ভাইভা পরীক্ষায় পাস করা অনেকের বয়স ৩৫ বছর পার হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বয়সসীমা শিথিল করে চাকরিতে প্রবেশের সুযোগ দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করছেন এসব চাকরি প্রার্থীরা।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া উত্তম সরকার বলেন, ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের সার্কুলার হয় ২০২০ সালের ২৩ জানুয়ারি। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি ও এনটিআরসিএর গড়িমসির কারণে এ পরীক্ষা আয়োজন শেষ করতে চার বছরের বেশি সময় লেগে গেছে। সবশেষ গত বছর ২৮ ডিসেম্বর চূড়ান্ত ফলাফল হয়। এরইমধ্যে এনটিআরসিএ’র তথ্য মতে আমাদের ৭৩৯ জন চাকরিপ্রার্থীর বয়স ৩৫ বছর পেরিয়ে গেছে। কিন্তু এতে আমাদের কোনো দোষ নেই। এনটিআরসিএ সঠিক সময়ে ফলাফল প্রকাশ করলে আমাদের বয়স ৩৫ বছর পার হতো না। এর দায় তো আমাদের না।

চাকরিপ্রার্থী রেজা খান বলেন, আমরা জানতে পেরেছি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৯৬ হাজার ৭৩৬ শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগের ৫ম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ১৬ ও ১৭তম নিবন্ধনধারী ২৪ হাজারেরও কম প্রার্থী আবেদন করেছেন। অথচ এনটিআরসিএর নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস করেও আমরা চাকরি পাচ্ছি না।

মানববন্ধনে অপর এক চাকরি প্রার্থী বলেন, ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৭৩৯ জন একটি বিজ্ঞপ্তিতেও আবেদনের সুযোগ পাচ্ছি না। ২০২০ সালের সার্টিফিকেট ২০২৪ সালে পাওয়ার পর যদি একবারও আবেদন করতে না পারি, তাহলে আমাদের মানবাধিকার লঙ্ঘন হওয়ার পাশাপাশি সার্টিফিকেট এবং মেধারও অবমূল্যায়ন হচ্ছে।

এসময় তারা গণবিজ্ঞপ্তিতে তাদের  সুযোগ করে দেওয়ার দাবি জানান।  তারা বলেন, অন্যান্য গণবিজ্ঞপ্তিতে বয়সের ছাড় থাকলেও তাদের সে সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না।

সারাবাংলা/জেআর/আইই