চট্টগ্রাম ব্যুরো: তারেক রহমান রাষ্ট্রীয় বাহিনী দিয়ে শহিদ ছাত্রনেতা মহিম উদ্দিনকে খুন করে আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার প্রয়াস চালিয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।
বুধবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে এক স্মরণসভায় তিনি এ কথা বলেন তিনি। এম ই এস কলেজ ছাত্রসংসদের সাবেক ভিপি ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক উপ পাঠাগার সম্পাদক শহিদ মহিম উদ্দিনের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নগরীর একটি স্থানীয় কমিউনিটি সেন্টারে এ স্মরণসভার আয়োজন করা হয়।
মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, শহিদ মহিম উদ্দিন ছিলেন তৎকালীন সময়ের একজন সাহসী ছাত্রনেতা। তৎকালীন বিএনপি জামায়াত সরকারের আমলে খালেদা জিয়ার দোসর তারেক রহমানের রাষ্ট্রীয় বাহিনী দিয়ে মহিমকে হত্যার মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার প্রয়াস চালিয়েছিল। কিন্তু শহিদ ছাত্রনেতা মহিমের অনুসারীরা তারেক জিয়ার এ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলেছিল এবং জোট সরকারের পতন ঘটিয়েছিল।
আমি এ বিচার বহিভূত হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাই এবং তারেক বাহিনীর যারা এ ঘটনায় জড়িত ছিল তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদানের দাবি জানাচ্ছি। শহিদ ছাত্রনেতা মহিম উদ্দিনের কৃতিত্ব তরুণ প্রজন্মের মাধ্যমে অব্যাহত থাকবে।
সাবেক যুবলীগ নেতা হেলাল আকবর চৌধুরী বাবরের সভাপতিত্বে এবং এম আর আজিম ও নগর যুবলীগ সহ সভাপতি নুরুল আনোয়ারের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক রেজাউল করিম চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক আদনান, আইন বিষয়ক সম্পাদক ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী ,তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক চন্দন ধর, উত্তর জেলার সহ সভাপতি এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম, জাতীয় পরিষদ সদস্য শফর আলী, মুক্তিযোদ্ধা বিজয় মেলা পরিষদের মহাসচিব মো. ইউনুছ, সাবেক সাংসদ মহিউদ্দিন বাচ্চু, শহিদ মহিম উদ্দিনের ভাই ও প্যানেল মেয়র এম গিয়াস উদ্দিন, সাবেক কাউন্সিলর কফিল উদ্দিন, এম ই এস কলেজের সাবেক ভি পি মো. ইউনূস, নগর যুবলীগের সভাপতি মাহবুবুল হক সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক মনোয়ার আলম নোবেল, এম ই এস কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মিথুন বড়ুয়া, নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি দেবাশীষ নাথ দেবু, সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান,হাসান মনসুর, সাইফুল আলম বাবু, শ্রমিক লীগ নেতা আবুল হোসেন আবু, কাউন্সিলর ওয়াসিম উদ্দিন চৌধুরী, যুবনেতা নুরুল আজিম রনি ও ইয়াছির আরাফাত কচি।