Friday 03 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

বাজেটের ১৮% শিক্ষায় বরাদ্দসহ ৪ দাবি ছাত্র ইউনিয়নের

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
৫ মে ২০২১ ০০:২৯ | আপডেট: ৫ মে ২০২১ ০২:১৮

ঢাকা: আসন্ন ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটের অন্তত ১৮ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দ করে ক্রমান্বয়ে তা ২৫ শতাংশে উন্নীত করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন। এক মানববন্ধন থেকে সংগঠনটি আরও তিনটি দাবি তুলে ধরেছে।

মঙ্গলবার (৪ মে) রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে ছাত্র ইউনিয়নের এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন থেকে চার দফা দাবি উত্থাপন করেছে ছাত্র ইউনিয়ন। দাবিগুলো হলো— শিক্ষা খাতে মোট বাজেটের ১৮ শতাংশ বরাদ্দ করে ক্রমান্বয়ে তা ২৫ শতাংশে উন্নীত করতে হবে; তথ্যপ্রযুক্তি ও শিক্ষণ-প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন খাতের বরাদ্দকে শিক্ষা খাতের বরাদ্দ হিসেবে দেখানো বন্ধ করতে হবে; শিক্ষা খাতের বরাদ্দ বাড়াতে দেশি-বিদেশি করপোরেট প্রতিষ্ঠানের ওপর সারচার্জ আরোপ করতে হবে; এবং সামরিক খাতে বরাদ্দ কমিয়ে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের বরাদ্দ বাড়াতে হবে।

বিজ্ঞাপন

মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, জাতীয় আয়ের ৬ শতাংশ দূরের কথা, শিক্ষা খাতে জিডিপি’র দুই শতাংশ বরাদ্দও গত ১২ বছরে নিশ্চিত করতে পারেনি এই সরকার। অত্যন্ত ক্ষোভ ও দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, যুদ্ধবিধ্বস্ত ও অন্যান্য স্বল্পোন্নত দেশও বাংলাদেশের চেয়ে শিক্ষা খাতে ঢের বেশি বরাদ্দ রাখে।

কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি নজির আমিন চৌধুরী জয়ের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন ঢাকা মহানগর সংসদের সহসভাপতি মামুন নাফিস, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সভাপতি তামজীদ হায়দার চঞ্চল, কেন্দ্রীয় সংসদের ক্রীড়া সম্পাদক শিমুল কুম্ভকারসহ অন্যরা।

ছাত্র ইউনিয়ন নেতারা বলেন, জাতিসংঘ ঘোষিত এমডিজি’র লক্ষ্যমাত্রা পূরণের অন্যতম শর্ত শিক্ষা খাতে জিডিপি’র অন্তত ৬ শতাংশ অথবা মোট বাজেটের অন্তত ২০ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত করা। এই অঙ্গীকার সরকার ২০১৫ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত বিশ্ব শিক্ষা ফোরামে করে এসেছে। সরকার এই অঙ্গীকার ভঙ্গ করেছে। শুধু তাই নয়, উল্টো শিক্ষণ-প্রশিক্ষণ ও তথ্যপ্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতের বরাদ্দকে শিক্ষা খাতের বরাদ্দ হিসেবে উপস্থাপনের নোংরা চাতুর্য প্রদর্শনেও পিছুপা হয়নি।

মানববন্ধন থেকে ছাত্র ইউনিয়ন নেতারা শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর লক্ষ্যে দেশি-বিদেশি করপোরেট প্রতিষ্ঠানের ওপর সারচার্জ আরোপের দাবিও জানান।

সারাবাংলা/এএইচএইচ/টিআর