ঢাকা: চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে ঘুষ, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে কাস্টম কর্মকর্তা, কমর্চারী ও আমদানিকারকসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে মোট ১৮টি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে মামলাগুলো করা হয়েছে বলে সারাবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন দুদকের উপ-পরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রনব কুমার ভট্টাচার্য।
তিনি জানান, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে সীমাহীন দুর্নীতি ও অনিয়ম উৎঘাটন হওয়ায় এই মামলাগুলো করা হয়েছে। মামলাগুলোতে কাস্টম অফিসার, কাস্টম কমর্চারী ও আমদানিকারক রয়েছে।
জানা গেছে, আসামীরা একে অপরের যোগসাজশে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া কাগজ দেখিয়ে আমদানি পণ্য খালাস করতেন।
আসামীরা হলেন, শফিউল আলম (অবসরপ্রাপ্ত রাজস্ব কর্মকর্তা), হুমায়ুর কবির (অবসরপ্রাপ্ত রাজস্ব কর্মকর্তা), মো. নিজামুল হক (অবসরপ্রাপ্ত রাজস্ব কর্মকর্তা), সৈয়দ হুমায়ুন আখতার (অবসরপ্রাপ্ত রাজস্ব কর্মকর্তা), মো. সফিউল আলম (অবসরপ্রাপ্ত রাজস্ব কর্মকর্তা), মো. কাসিফ ফোরকান (প্রোপাইটর-মেসার্স গ্যাবী ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল), মো. হারুন শাহ (স্বত্তাধিকারী এমআর করপোরেশন), মো. আবুল হাসনাত সোহাগ, মো. মমিনুল ইসলাম, মির্জা মো. আহসানুজ্জামান, এম এ আলীম, মো. মুসা ভূঁইয়া, মইনুল আলম চৌধুরী, হাজী ফোরকান আহমেদ, মো. সাইফুর রহমান, মো. নুরুল আলম, মো. জহিরুল ইসলাম, মো. রুবেল আহমেদ, মো. আইনুল হক, মো. সাহিদুর রহমান, মো. সাইফুল ইসলাম, ফাহাদ আবেদীন সোহান, জোতিময় সাহা।