Saturday 27 June 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

শুক্রবার মুক্তি মিলবে আটক ভারতীয় পাইলটের: ইমরান খান


২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১৮:৪৭ | আপডেট: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১৮:৪৯
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

।। আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।।

পাকিস্তানে আটক ভারতীয় পাইলট অভিনন্দন বর্তমানকে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। শুক্রবার (১ মার্চ) তাকে মুক্তি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। বৃহস্পতিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দেশটির পার্লামেন্টে দেওয়া এক ভাষণে তিনি একথা জানান। খবর বিবিসির।

ইমরানের এই সিদ্ধান্ত কাশ্মীর সীমান্তে যুদ্ধাবস্থা প্রশমনের উদ্যোগ হিসেবে ভাবা হচ্ছে।

এর আগে, বুধবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুদেশের আকাশ যুদ্ধে নিয়ন্ত্রণ হারায় ভারতের একটি যুদ্ধবিমান। পাকিস্তানে বিমানটি ভূপাতিত হলে ভারতের উইং কমান্ডার অভিনন্দন বর্তমানকে আটক করে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। প্রথমে নিজেদের বিমানসেনা আটকের খবর অস্বীকার করলেও ভারতের পররাষ্ট্র দফতর পরবর্তীতে এক প্রেস ব্রিফ্রিং-এ পাইলট আটকের কথা স্বীকার করে নেয়। দাবি করা হয়, পাকিস্তানের কাছে জিম্মি পাইলটের দ্রুত মুক্তি।

বিজ্ঞাপন

ভারতের সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তান এই সিদ্ধান্ত নিল।

আটক ভারতীয় বৈমানিক অভিনন্দন বর্তমানের আটক হওয়ার বিস্তারিত ঘটনা ছেপেছে পাকিস্তানের সংবাদপত্র ডন। পত্রিকাটির অনলাইন সংবাদে পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরের ভিমবার জেলার হরান গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাককে উদ্ধৃতি দিয়ে ঘটনা বর্ণনা করা হয়।

বলা হয়, বুধবার সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে দুটি যুদ্ধবিমানের লড়াইয়ের শব্দ শোনেন আব্দুর রাজ্জাক। এসময় ধোঁয়াও দেখতে পান তিনি। এরপর বিমান দুটিতে আগুন লেগে যায়। একটি বিমান নিয়ন্ত্রণরেখা ধরে এগিয়ে গেলেও আরেকটিতে আগুন লেগে দ্রুত নিচে নামতে থাকে। এরপর তার বাড়ি থেকে এক কিলোমিটার দূরে ওই বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। এ সময় তিনি প্যারাস্যুট নিয়ে একজনকে নামতে দেখেন।

বিমানটি যেদিকে বিধ্বস্ত হয় তার উল্টো দিকে ওই প্যারাসুটে নামেন এক বৈমানিক। পরে তিনি দ্রুত একটি পুকুরে ঝাঁপিয়ে পড়েন। তিনি কিছু কাগজ গিলে ফেলার ও কিছু কাগজ পানিতে ভিজিয়ে নষ্ট করে ফেলার চেষ্টা চালান। ওই পাইলট প্যারাসুটে নামার সময় নিরাপদ ও সুস্থ ছিলেন।

এরপর ওই বৈমানিককে ধরার জন্য স্থানীয় তরুণেরা ছুটে যান। তারা অভিনন্দনকে ধরে ফেললেও সেনাবাহিনী না আসা পর্যন্ত বিধ্বস্ত বিমানের আশেপাশে থেকে দূরে থাকে তারা। পরে সেনাবাহিনী এসে তার দায়িত্ব নেয়।

সারাবাংলা/এনএইচ