।। স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট ।।
ঢাকা : তাবলিগ জামাতের বিবাদমান দুইপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। বুধবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই বৈঠক শুরু হয়।
বৈঠকে মাওলানা সাদ আহমাদ কান্ধলভী ও মাওলানা জোবায়ের আহমেদ এর পক্ষের তাবলীগ জামাত নেতারা উপস্থিত আছেন। দুটি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ওয়াসিকুল ইসলাম ও মাওলানা জোবায়ের। দুই দলেই ১৬ থেকে ১৭ জন করে সদস্য রয়েছেন।
তাবলীগ জামাতের দ্বন্দ্বের নেপথ্যে ‘মারকাজ’ দখল
এছাড়া সরকারের পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ, স্বরাষ্ট্র সচিব ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ, ধর্ম সচিব মো. আনিছুর রহমান, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের প্রধান বেনজির আহমেদ, আইজিপি ড. জাবেদ পাটোয়ারী উপস্থিত আছেন।
তাবলিগ জামাতের দুইপক্ষের মধ্যে মনোমালিন্য ও সংঘর্ষের পর গত ১৭ জানুয়ারি দারুল উলুম দেওবন্দের মুহতামিম মাওলানা আবুল কাসেম নোমানির সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষের (সা’দপন্থী ও সা’দবিরোধী) সমস্যা সমাধান না হওয়া পর্যন্ত কারও সঙ্গেই সম্পর্ক না রাখার ঘোষণা দেয় ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। এ নিষেধাজ্ঞার ফলে বাংলাদেশের গাজীপুরের টঙ্গীতে তাবলিগ জামাতের বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে কি না, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত অনিশ্চিত হয়ে যায়।
এমন পরিপ্রেক্ষিতে নতুন করে বৈঠকে বসলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
সবশেষ গত ১ ডিসেম্বর সকালে টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে মাওলানা সাদ আহমাদ কান্ধলভী ও মাওলানা জোবায়ের আহমেদ সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এসময় দুপক্ষের সংঘর্ষে ইজতেমা ময়দান রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। আহত হন শতাধিক মুসল্লি।
এই ঘটনার পরদিন ২ ডিসেম্বর হামলার প্রতিবাদ এবং দোষীদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন তাবলীগ জামাতের একাংশের সদস্যরা। রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন তারা।
আরো পড়ুন : বিশ্ব ইজতেমা চেয়ে হাইকোর্টে রিট
সারাবাংলা/এএইচএইচ/এসএমএন