Sunday 23 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

প্রাথমিকে ১৪ হাজার ৩৮৪ শিক্ষকের যোগদান শুরু অক্টোবরে

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
১ আগস্ট ২০২৬ ১৯:২৯ | আপডেট: ১ আগস্ট ২০২৬ ২১:২৮

ঢাকা: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক পদে সুপারিশকৃত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন শিক্ষকের যোগদান প্রক্রিয়া আগামী অক্টোবরের মধ্যে শুরু হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। নিয়োগসংক্রান্ত তদন্ত ও প্রক্রিয়াগত জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা এই নিয়োগ কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত এক জরুরি ভার্চ্যুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় নিয়োগের অগ্রগতি, তদন্ত ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার বিষয়ে আলোচনা হয়।

সভা শেষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন বলেন, প্রাথমিকের জন্য সুপারিশ করা ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষকের যোগদানের বিষয়টি সরকার গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। তদন্ত ও প্রক্রিয়াগত দীর্ঘসূত্রতার কারণে যোগদান প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে তাদের যোগদান প্রক্রিয়া শুরু হবে।

বিজ্ঞাপন

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক নিয়োগের জন্য দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। তবে নিয়োগের পরবর্তী ধাপে তদন্ত ও প্রশাসনিক যাচাই-বাছাইসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে গিয়ে যোগদানে বিলম্ব হয়। এতে সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয় এবং দ্রুত যোগদানের দাবিও ওঠে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর-এর আওতাধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকট দীর্ঘদিনের সমস্যা। বিপুল সংখ্যক বিদ্যালয়ে প্রয়োজনের তুলনায় শিক্ষক কম থাকায় পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যমান শিক্ষকদের ওপর অতিরিক্ত দায়িত্ব পড়ছে। নতুন শিক্ষকরা যোগদান করলে এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট কিছুটা কমবে বলে আশা করছে মন্ত্রণালয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিয়োগ সংক্রান্ত বাকি প্রক্রিয়াগুলো দ্রুত শেষ করে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের যোগদানের সুযোগ করে দেওয়ার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান শুরু হলে নতুন শিক্ষাবর্ষে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংকট মোকাবিলায় তা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

সারাবাংলা/এমএমএইচ/এসআর