সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খুব একটা স্বস্তিতে ছিল না আর্জেন্টিনা। রক্ষণভাগ থেকে আক্রমণভাগ—সবখানেই কিছু পরিবর্তনের আভাস দিয়েছেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, অভিজ্ঞতার ওপর আস্থা রেখে ২০২২ সালের চ্যাম্পিয়ন স্কোয়াডের খেলোয়াড়দেরই বেশি প্রাধান্য দেবেন তিনি।
এদিকে সেমিতে ফ্রান্সের বিপক্ষে লড়াইয়ের পর স্পেনের তরুণ তুর্কি লামিন ইয়ামালকে নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ ছিল। অনুশীলনে তাকে আলাদাভাবে এবং বাম উরুতে স্ট্র্যাপিং জড়ানো অবস্থায় দেখা গিয়েছিল। তবে কোচ দে লা ফুয়েন্তে দ্রুতই সেই শঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছেন। ফাইনালে ইয়ামাল পুরোপুরি ফিট হয়েই মাঠে নামছেন। এছাড়া পেদ্রো পোরো হ্যামস্ট্রিংয়ের সামান্য সমস্যা কাটিয়ে উঠেছেন, তিনিও এখন নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত।
দলে কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকায় স্পেন তাদের পরিচিত কৌশল বা ‘ট্যাকটিক্যাল সেটআপ’ নিয়ে কোনো ঝুঁকি নিচ্ছে না। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিতে অভিজ্ঞ রদ্রি এবং ফাবিয়ান রুইজের ওপরই ভরসা রাখছেন কোচ। রদ্রি যেমন রক্ষণভাগকে সুরক্ষা দেবেন, তেমনি ফাবিয়ান রুইজ বলের দখল রেখে খেলার গতি নিয়ন্ত্রণ করবেন।
আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ (৪-২-৩-১): এমিলিয়ানো মার্তিনেজ (গোলরক্ষক), নাহুয়েল মলিনা, ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, রদ্রিগো দি পল, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, এনজো ফার্নান্দেজ, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, লিওনেল মেসি এবং জুলিয়ান আলভারেজ।
স্পেনের সম্ভাব্য একাদশ (৪-২-৩-১): উনাই সিমন (গোলরক্ষক), পেদ্রো পোরো, পাউ কুবাসি, এমেরিক লাপোর্ত, মার্ক কুকুরেইয়া; রদ্রি, ফাবিয়ান রুইজ; লামিন ইয়ামাল, দানি ওলমো, অ্যালেক্স বায়েনা এবং মিকেল ওইয়ারজাবাল।