Friday 17 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

বিশ্বকাপ ২০২৬ / বিশ্বকাপের ফাইনালে রেফারি থাকছেন কে?

ক্রীড়া ডেস্ক
১৭ জুলাই ২০২৬ ১৪:৫৮ | আপডেট: ১৭ জুলাই ২০২৬ ১৮:০৫

বিশ্বকাপ ফাইনালের মঞ্চ প্রস্তুত। আগামী রবিবার নিউ ইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার শিরোপা নির্ধারণী লড়াইয়ে বাঁশি বাজাবেন স্লোভেনিয়ার অভিজ্ঞ রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ। ফিফা তাকে নিয়োগ করার পর থেকেই ফুটবল বিশ্বে শুরু হয়েছে আলোচনা। তবে শুধু তার দক্ষতা নয়, বরং তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের উত্থান-পতন ও অতীতের বিতর্কিত এক অধ্যায় নিয়ে চলছে বিস্তর চর্চা।

১৯৭৯ সালে স্লোভেনিয়ার মারিবোরে জন্ম নেওয়া ভিনচিচ ২০১০ সাল থেকে ফিফার আন্তর্জাতিক রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রায় দুই দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি ১১৩টিরও বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ পরিচালনা করেছেন। ২০২৪ সালের উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল পরিচালনা ছিল তার ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা অর্জন। এবার বিশ্বকাপের ফাইনালের দায়িত্ব পাওয়ায় তিনি স্লোভেনিয়ার ফুটবল ইতিহাসে অন্যতম সফল রেফারি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করলেন।

বিজ্ঞাপন

আর্জেন্টিনা সমর্থকদের কাছে ভিনচিচের নামটি বেশ পরিচিত। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে সৌদি আরবের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার সেই ঐতিহাসিক হারের ম্যাচে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এই রেফারিই। ভিনচিচের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় কালো দাগ হয়ে আছে ২০২০ সালের সেই ঘটনা। সে বছরের মে মাসে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনায় একটি পুলিশি অভিযানে তিনি আটক হয়েছিলেন। এক ক্যাবিনে ভিনচিচসহ মোট ৩৫ জনকে আটক করা হয়েছিল, যেখানে অস্ত্র, মাদক এবং অবৈধ দেহব্যবসার নেটওয়ার্কের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গিয়েছিল।

সেই ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অবশ্য পুলিশ তাকে কোনো অভিযোগ ছাড়াই ছেড়ে দেয়। ভিনচিচ পরে গণমাধ্যমে ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন, ‘একটি মধ্যাহ্নভোজের আমন্ত্রণে গিয়ে ভুল জায়গায় উপস্থিত হয়েছিলাম। সেখানে যারা ছিলেন, তাদের কাউকেই আমি চিনতাম না। ওই সময়টা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল।’ স্লোভেনিয়া ফুটবল ফেডারেশনও তাকে পুরো সমর্থন দিয়ে বিষয়টি সেখানেই থামিয়ে দেয়। এরপর তিনি আবার মাঠে ফিরে আসেন এবং পরবর্তী সময়ে বড় বড় সব ম্যাচে দারুণভাবে পরিচালনা করেন।

ইউরো ২০২০, কাতার বিশ্বকাপ এবং এবারের ২০২৬ বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলো পরিচালনার পর ভিনচিচের অভিজ্ঞতা ও চাপ সামলানোর দক্ষতা ফিফাকে প্রভাবিত করেছে। বিগত বছরগুলোতে বড় বড় ম্যাচে তার বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত তাকে সেরাদের কাতারে নিয়ে এসেছে। তবে ফাইনালের মতো উত্তেজনাকর ম্যাচে তার অতীত বিতর্কের রেশ বা সৌদি আরবের ম্যাচের স্মৃতি কতটা প্রভাব ফেলে, তা নিয়ে এখন ভক্তদের মধ্যে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

সারাবাংলা/এফএম
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর