Wednesday 15 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

বন্ধ ১৫ বস্ত্রকল চালুর উদ্যোগ সরকারের

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
১৫ জুলাই ২০২৬ ১৯:৫৮

ঢাকা: বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের (বিটিএমসি) অধীনে থাকা বন্ধ ও অচল ১৫টি বস্ত্রকল সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) এবং বেসরকারি উদ্যোগে পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এছাড়া আরও দুটি বন্ধ মিল দীর্ঘমেয়াদি লিজের মাধ্যমে সচল করার প্রক্রিয়াও বর্তমানে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিনের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই তথ্য জানান। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিটিএমসির বন্ধ থাকা বস্ত্রকলগুলোকে লাভজনকভাবে পুনরায় সচল করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে এরই মধ্যে দুটি উচ্চপর্যায়ের সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

প্রধানমন্ত্রী দেশের ঐতিহ্যবাহী মসলিন কাপড় সচল ও পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে গৃহীত বিশেষ সরকারি প্রকল্পের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, দেশের সোনালী ঐতিহ্য মসলিনের সুতা তৈরির প্রযুক্তি ও মসলিন কাপড় পুনরুদ্ধার শীর্ষক দ্বিতীয় পর্যায়ের একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে দেশের মসলিন উদ্যোক্তা, তাঁতি ও স্পিনারদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সেবা দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের মাধ্যমে দেশের সাধারণ তাঁতিদের প্রয়োজনীয় নীতিগত ও কারিগরি সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি স্বল্পমূল্যে ডাইং, প্রিন্টিং ও ক্যালেন্ডারিং সেবা দেওয়া হচ্ছে। বস্ত্র ও পাট খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার বিবরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, পাটজাত পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে বর্তমানে বিনিয়োগকারীদের বিশেষ আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে এবং দেশের অভ্যন্তরে পাটপণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের ওপর থেকে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট সম্পূর্ণ মওকুফ করা হয়েছে। বস্ত্র খাতে নতুন বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করতে সম্পূর্ণ শুল্কমুক্ত সুবিধায় টেক্সটাইল মেশিনারি আমদানির সুপারিশ করছে বস্ত্র অধিদফতর।

উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন ও সম্প্রসারণের জন্য বিশেষ প্রকল্প সচল থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের নেওয়া এসব দূরদর্শী পদক্ষেপ ও নানামুখী উদ্যোগের ফলে বস্ত্র ও পাট শিল্পে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি উৎসাহিত হচ্ছেন, যা দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে অত্যন্ত ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

সারাবাংলা/এফএন/এনজে
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর