ঢাকা: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলায় নতুন একটি ইউনিয়ন গঠিত হয়েছে এবং নবগঠিত ইউনিয়নের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ফজলুর রহমান ভূঁইয়া। নতুন নিয়োগ পাওয়া প্রশাসক কসবা-আখাউড়ার ক্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রথম দফার প্রার্থী আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার পিতা।
এদিকে এ নিয়োগ ও নতুন ইউনিয়ন গঠনের ঘটনা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে এবং কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার পরিবারের প্রতি এলাকাবাসীর গভীর আস্থা ও ভালোবাসার প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন সচেতন মহল।
এর আগে গত ৭ জুলাই ২০২৬ স্থানীয় সরকার ইউনিয়ন পরিষদ আইন ২০০৯ এর ধারা ১৮(১) অনুযায়ী ফজলুর রহমান ভূঁইয়া, পিতা চন্নু ভূঁইয়া, গ্রাম বরিশল, আখাউড়া-কে নবগঠিত বরিশল ইউনিয়নের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং তাকে আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে। নির্বাচিত পরিষদ গঠন না হওয়া পর্যন্ত তিনি ইউনিয়নের সার্বিক দায়িত্ব পালন করবেন।
জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার ইউনিয়ন পরিষদ আইন ২০০৯ এর ধারা ১১(১)এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গত ১২ মে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলাধীন বাসুদেব ইউনিয়নের ৬টি গ্রাম যথা বরিশল, বৈষ্ণবপুর, কোড্ডা, শ্যামনগর, কোড়াবাড়ি ও চান্দিকে সমন্বয় করে আখাউড়া উপজেলাধীন ‘বরিশল’ নামে একটি নতুন ইউনিয়ন গঠন করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনটি গত ৪ জুন বাংলাদেশ গেজেটের ৬ষ্ঠ খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে। নবগঠিত বরিশল ইউনিয়নে মোট ৯টি ওয়ার্ড রয়েছে এবং ইউনিয়নটির মোট আয়তন প্রায় ১১ দশমিক ৮৭ বর্গ কিলোমিটার ও মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৭ হাজার ৬৮৪ জন।
উল্লেখ্য, বিএনপির নির্বাহী সদস্য কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার উদ্যোগে কসবা উপজেলার তিনলাখপীর বিশ্বরোডের সংযোগস্থলে একটি ইপিজেড স্থাপনের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এই ইপিজেড বাস্তবায়িত হলে কসবা-আখাউড়া অঞ্চলে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে এবং পুরো এলাকার অর্থনৈতিক চেহারা আমূল বদলে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
এছাড়াও কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার নিরলস প্রচেষ্টায় এলাকার সড়ক উন্নয়নে প্রায় ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকার একটি বৃহৎ প্রকল্প অনুমোদনের পথে রয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ নির্মাণ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আধুনিক স্পোর্টস ভিলেজ প্রতিষ্ঠা এবং কসবা-কে মডেল উপজেলায় রূপান্তরের লক্ষ্যে তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে একের পর এক প্রকল্প প্রস্তাব পাঠিয়ে চলেছেন। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করার দাবিতেও তিনি সোচ্চার ভূমিকা রেখে চলেছেন। পাশাপাশি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একটি আধুনিক পরিকল্পিত উপশহর গড়ার উদ্যোগে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছেন এবং ইতোমধ্যে সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু হয়েছে।