Monday 06 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

গ্রিন লাইসেন্স নিয়েই জাহাজ রিসাইক্লিং ব্যবসা করতে হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৬ জুলাই ২০২৬ ১৫:১৩ | আপডেট: ৬ জুলাই ২০২৬ ১৯:২১

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে জাহাজ রিসাইক্লিং পরিদর্শন করছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির – ছবি : সারাবাংলা

চট্টগ্রাম: বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশের সব জাহাজ রিসাইক্লিং ইয়ার্ডকে পরিবেশবান্ধব ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হতে হবে। গ্রীন লাইসেন্স ছাড়া জাহাজ রিসাইক্লিং ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ থাকবে না। যারা এ খাতে নতুন করে ব্যবসা করতে চান, তাদের প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দেওয়া হবে।

সোমবার (৬ জুলাই) চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে জাহাজ রিসাইক্লিং পরিদর্শন ও শিল্প-সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে ৩১টি গ্রীন লাইসেন্সধারী জাহাজ রিসাইক্লিং ইয়ার্ড রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মতো অন্য সব ইয়ার্ডকেও আন্তর্জাতিক মানের কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করে গ্রীন লাইসেন্স নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, একসময় জাহাজ রিসাইক্লিং শিল্পকে পরিবেশবিরোধী, শ্রমিক শোষণনির্ভর এবং অস্বাস্থ্যকর কর্মপরিবেশের খাত হিসেবে দেখা হতো। কিন্তু বর্তমানে গ্রীন ইয়ার্ডগুলোতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কাজ হচ্ছে এবং উচ্চমানের পরিবেশ ও নিরাপত্তা মানদণ্ড অনুসরণ করা হচ্ছে, যা দেশের জন্য গর্বের বিষয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দুই বছর আগেও বিশ্বের মোট জাহাজ রিসাইক্লিংয়ের প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ বাংলাদেশে হতো। সাময়িকভাবে সেই অবস্থান থেকে পিছিয়ে গেলেও দ্রুত আবারও শীর্ষ অবস্থানে ফিরে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

খাতসংশ্লিষ্টদের সমস্যা সমাধানে সরকার আন্তরিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্যবসায়িক, নীতিগত বা প্রশাসনিক যেকোনো সমস্যা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হবে। আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোনো বিষয় থাকলে তা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় প্রশাসনের কাছে তুলে ধরা হবে।

জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বর্তমানে দেশে প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৬০০ এমএমসিএফডি গ্যাসের ঘাটতি রয়েছে। বিদ্যমান অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে সরবরাহ বাড়ানো সম্ভব না হলেও সরকার নতুন প্রকল্প ও সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের মাধ্যমে দ্রুত গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী সীতাকুণ্ডের তিনটি শিপ ইয়ার্ড ঘুরে দেখেন। এসময় তার সঙ্গে বিএসবিআরএ সভাপতি মোহাম্মদ মহসিনসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর