ঢাকা: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ বিরতির সময় বাড়নোর আশাবাদ ও আন্তর্জাতিক অস্থিরতা কমার খবরে দেশের পুঁজিবাজারে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা দিয়েছে।
সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (১৫ এপ্রিল) দেশের ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের উত্থানের মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে।
এ দিন ডিএসই-তে আগের কার্যদিবসের চেয়ে টাকার পরিমাণে লেনদেন কিছুটা বাড়লেও সিএসই-তে কমেছে। তবে উভয় পুঁজিবাজারে লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম বেড়েছে।
ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বাজার পর্যালোচনা করে দেখা যায়, অনেক দিন ধরে পুঁজিবাজারে লেনদেনের শুরুতে সূচকের উত্থান দেখা গেলেও লেনদেনের শেষদিকে তা পতনে রূপ নেয়। তবে বুধবার সকাল থেকে সূচকের উত্থানে লেনদেন শুরু হয়। লেনদেন শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত ছিল।
ডিএসই ও সিএসই সূত্রে জানা যায়, দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ২৪.৬৩ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫ হাজার ২৫৪.৯৯ পয়েন্টে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৮.৭৩ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৬৬.৭৩ পয়েন্টে এবং ডিএস৩০ সূচক ৩.১৬ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৯৮৪.২০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
ডিএসই-তে মোট ৩৯৩টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ২৩৯টি কোম্পানির, কমেছে ৯০টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৬৪টির।
এ দিন ডিএসই-তে মোট ৮৩৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৭৯৩ কোটি ৪২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সিএসসিএক্স সূচক আগের দিনের চেয়ে ১২.৭৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৯ হাজার ৩৮.৩১ পয়েন্টে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২৩.৫১ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৭৫৬.৮২ পয়েন্টে, শরিয়াহ সূচক ১.১১ পয়েন্ট বেড়ে ৮৯৮.১৬ পয়েন্টে এবং সিএসই ৩০ সূচক ৬.৩৫ পয়েন্ট বেড়ে ১২ হাজার ৯৬৭.৩৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
সিএসই-তে মোট ২০৯টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ১১৩টি কোম্পানির, কমেছে ৬৩টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৩৩টির।
দিন শেষে সিএসই-তে ২৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪০ কোটি ৩৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।