ঢাকা: আসন্ন বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের নির্বাচনি ব্যয় ব্যবস্থাপনায় কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, ব্যক্তিগত খরচ ছাড়া নির্বাচনের যাবতীয় ব্যয় অবশ্যই কোনো তফসিলি ব্যাংকে খোলা পৃথক হিসাবের মাধ্যমে পরিচালনা করতে হবে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলামের সই করা একটি নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
ইসির পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৪৪খ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রত্যেক নির্বাচনি এজেন্ট অথবা এজেন্ট নিয়োগ না হলে প্রার্থীকে নিজে নির্বাচনি ব্যয় নির্বাহের জন্য একটি পৃথক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। নির্বাচনের পুরো অর্থ এই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেই লেনদেন করতে হবে। শুধুমাত্র প্রার্থীর ‘ব্যক্তিগত ব্যয়’ এই হিসেবের বাইরে রাখা যাবে।
এছাড়া নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০২৫ এর বিধি ২৯ অনুসারে নির্বাচনি ব্যয় নির্বাহের জন্য তহবিলের সম্ভাব্য উৎসের বিবরণী ফরম ২০ এ এবং প্রার্থীর সম্পদ, দায়-দেনা ও তার বাৎসরিক আয়-ব্যয় বিবরণী ফরম-২১ মনোনয়নপত্রের সাথে দাখিল করার বিধান রয়েছে।
অন্যদিকে, মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় প্রার্থী কর্তৃক জামানতের অর্থ নগদ বা ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডার বা ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা নির্বাচন কমিশনের অনুকুলে মনোনয়নপত্রের সাথে রিটার্নিং অফিসার/সহকারী রিটার্নিং অফিসারের নিকট জমা দিতে হবে; অথবা একটি নির্বাচনি এলাকায় প্রার্থীর অনুকূলে একাধিক মনোনয়নপত্র দাখিল হলে সে প্রার্থীর অনুকূলে শুধু একটি মাত্র জামানত প্রদান করতে হবে। অন্য মনোনয়নপত্রের সাথে চালান/রসিদ এর সত্যায়িত অনুলিপি প্রদান করতে হবে।
ইসির ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, দুই আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ২ মার্চ। রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক বাছাই ৫ মার্চ। আপিল দায়ের করা যাবে ৬ থেকে ১০ মার্চ পর্যন্ত। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১১ মার্চ। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৪ মার্চ। প্রতীক বরাদ্দ ১৫ মার্চ। এবং ভোট গ্রহণ ৯ এপ্রিল।