Friday 21 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

আগারগাঁওয়ে গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, একই পরিবারের ৭ জন দগ্ধ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ১০:৫৮ | আপডেট: ৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৩:২৩

হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে দগ্ধ মো. আব্দুল জলিল মিয়া। ছবি: সারাবাংলা

ঢাকা: রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সরকারী কোয়ার্টারে গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের সাত জন দগ্ধ হয়েছেন। তাদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার (৬ ডিসেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে আগারগাঁও পাকা মার্কেট সড়ক এলাকার সরকারী কোয়ার্টারে আগুনের এ ঘটনা ঘটে।

দগ্ধরা হলেন- শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার মো. আব্দুল জলিল মিয়া (৫০), তার স্ত্রী আরনেজা বেগম (৪০), ছেলে আসিফ (১৯), সাকিব (১৬), আসিফের স্ত্রী মনিরা (১৭), নাতনি ইভা (৬) ও ইশা (৬)।

তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে আসা দগ্ধ জলিল মিয়ার মেয়ের জামাই মো. আরফান মিয়া জানান, রাতে টিনশেড বাসায় পাশাপাশি কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন পরিবারটির সাত সদস্য। ভোরের দিকে তার শাশুড়ী আরনেজা বেগম রান্না করতে যান। ম্যাচ জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে টিনশেড বাসাটিতে বিকট বিস্ফোরণ হয়। এতে ওই সাতজনই পুড়ে যান। সে এবং তার স্ত্রী জনিভা আক্তার পাশের কক্ষে ছিল। তার দুই মেয়ে ইভা ও ইশা তার নানার কক্ষে ছিল। আসিফের স্ত্রী মনিরা আট মাসের আত্মসত্ত্বা।

বিজ্ঞাপন

হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে দগ্ধ দুই ভাই আসিফ ও সাকিব।

তিনি জানান, তাদের চিৎকারে প্রতিবেশীদের সহযোগীতায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে এই বিস্ফোরণ এই আগুনের ঘটনা ঘটেছে।

এদিকে দগ্ধ আসিফ জানান, আগারগাঁও সরকারী কোয়ার্টারের বাসায় তারা ভাড়া থাকেন। গত দেড়মাস ধরে ঘরে গ্যাসের গন্ধ পায়। বাড়িওয়ালাকে বারবার বললেও কোনো প্রতিকার পায় নাই।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের আবাসিক সার্জন ডা. হারুনুর রশীদ জানান, জলিলের ১২ শতাংশ, আরনেজার ১০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। বাকিদের হাত পা দগ্ধ হয়েছে। এছাড়া আট মাসের অন্তসত্বা নারী মনিরার হাত পা দগ্ধ হয়েছে। তাকে চিকিৎসা দিয়ে গাইনী বিভাগে পাঠানো হয়েছে। জলিল ও আরনেজা বেগমকে ভর্তি দেওয়া হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে অবজারভেশনে ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে।

সারাবাংলা/এসএসআর/ইআ
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর