Tuesday 14 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলেই জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
১৪ জুলাই ২০২৬ ১৯:০১

সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী

ঢাকা: ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান এবং ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের স্মৃতি সংরক্ষণে নির্মিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন সাপেক্ষে অতি দ্রুত আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সচিবালয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

এ সময় সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, ‘২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস ও আত্মত্যাগকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এবং জুলাইয়ের চেতনাকে সংরক্ষণ করতেই স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার প্রকল্পটিকে আরও টেকসই ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে কিছু কাঠামোগত ও আইনি সংস্কার করছে।’

জাদুঘর উদ্বোধনে বিলম্বের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘একটি পূর্ণাঙ্গ জাদুঘর পরিচালনার জন্য স্থায়ী জনবল, সাংগঠনিক কাঠামো ও পরিচালনা ব্যবস্থার প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে একটি পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার অনুমোদন এবং প্রয়োজনীয় বিধিমালা চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ার কারণে কিছুটা সময় লেগেছে।’

তিনি জানান, নির্মাণ ও সংস্কারের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে পরিচালনা পর্ষদের প্রথম সভায় জনবল নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে। এরপর প্রধানমন্ত্রীর সুবিধাজনক সময় ও অনুমোদন সাপেক্ষে জাদুঘরটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ১৫ জুলাই থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানগুলো সারা দেশে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রদর্শনী, আলোচনা সভা ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে।’

তিনি বলেন, ‘১৫ জুলাই বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। ওই দিন শিক্ষার্থীদের, বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা পরবর্তী আন্দোলনকে আরও বেগবান করেছিল এবং ১৬ জুলাইয়ের আত্মত্যাগের পথ তৈরি করেছিল।’ জুলাইয়ের সেই ইতিহাস ও চেতনাকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর