ঢাকা: এইচএসসির মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার আগে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরও কেন পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষা পেছানো হলো না, তা নিয়ে জাতীয় সংসদে প্রশ্ন তুলেছেন সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন জানান, সারাদেশের সার্বিক পরিস্থিতি এবং স্থানীয় প্রশাসনের মতামত বিশ্লেষণ করেই পরীক্ষা যথাসময়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। দুর্যোগপূর্ণ এলাকায় পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে স্থানীয় প্রশাসনকে পূর্ণ ক্ষমতা দেওয়া ছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘সারাদেশে ২ হাজার ৭০০টি কেন্দ্রে একযোগে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়। চলমান পরিস্থিতি সরকার সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছিল। জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার ও শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানদের সঙ্গে কথা বলার পর পরিস্থিতি অনুকূলে থাকার তথ্যের ভিত্তিতেই পরীক্ষা যথাসময়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। কোথাও পানি জমলে তাৎক্ষণিকভাবে বিকল্প ব্যবস্থা করে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে।’
পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকার বিষয়টি চিহ্নিত করা হয়েছে। এ জন্য পরীক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রশ্ন মডারেশনের প্রক্রিয়া অনেক আগের। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার আগে এই প্রশ্নগুলো তৈরি করা হয়েছিল। তবুও শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এই বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি বিশেষায়িত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে রূপান্তরের দাবি সরকারের বিবেচনায় আছে। বর্তমানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ভেটিংয়ের কাজ চলছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একটি বিশেষায়িত কৃষি অনুষদ গড়ে তোলা হবে, যা এই অঞ্চলের মানুষের অর্থনৈতিক বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটাবে।’