ঢাকা: দৌলতদিয়া লঞ্চ টার্মিনাল থেকে ৮৫ জন যাত্রীসহ রওয়ানা হওয়া ‘এমভি বোয়ালি’ পদ্মা নদীর মাঝখানে কুশিহাটা নামক ডুবোচরে আটকে পড়ে। পরে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করা হলে নৌ-পুলিশ এসে যাত্রীদের উদ্ধার করে।
শনিবার (২৭ জুন) রাতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর গণমাধ্যম ও জনসংযোগ কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার।
তিনি বলেন, শনিবার রাত পৌণে ৮ টায় রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ ঘাট থানাধীন দৌলতদিয়া লঞ্চ টার্মিনাল থেকে ৮৫ জন যাত্রীসহ এমভি বোয়ালি পাটুরিয়ার উদ্দেশে যাত্রা করে। পথিমধ্যে পদ্মা নদীর মাঝখানে কুশিহাটা নামক ডুবোচরে লঞ্চটি যাত্রীসহ আটকা পড়ে। চারিদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার ও নদীর অথৈ পানির কারণে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে লঞ্চের যাত্রীদের মধ্যে। এ সময় আতঙ্কিত ও ভয়ার্ত দুইজন কলার জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে দ্রুত উদ্ধারের ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান। ৯৯৯ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে নৌ-পুলিশ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ, দৌলতদিয়া এবং পাটুরিয়া নৌ থানায় উদ্ধারের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জানানো হয়।
আনোয়ার সাত্তার বলেন, সংবাদ পেয়ে দ্রুত দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া নৌ থানার পুলিশ দল উদ্ধারকারী ট্রলার এবং দুটি স্পিডবোট নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিকভাবে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। নৌপুলিশ পরবর্তীতে ট্রলার ও নৌ পুলিশের ২টি স্পিড বোট দিয়ে যাত্রীদের চর থেকে উদ্ধার করে অন্য একটি লঞ্চ এমভি চিশতিয়ায় তুলে দেয়। সর্বশেষ যাত্রীরা নৌ পুলিশ এর সহায়তায় রাত সাড়ে ১১টায় নিরাপদে পাটুরিয়া লঞ্চ টার্মিনালে পৌঁছায়। উদ্ধার করা যাত্রী সংখ্যা নারী ও শিশুসহ মোট ৮৫ জন।
দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ওসি ত্রিনাথ সাহা বলেন, ‘খবর পেয়ে দ্রুত নৌ-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে নিরাপদে সবাইকে উদ্ধার করে পাটুরিয়া ঘাটে পৌছে দিয়েছে। এতে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।’